You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বেহেশতের টিকিট কিংবা ফ্রি ইন্টারনেট

নির্বাচনে জিততে রাজনৈতিক দলগুলো কতটা বেপরোয়া হতে পারে, তার প্রমাণ মেলে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির দিকে তাকালেই। কেবল এবারই নয়, আগের প্রতিটি নির্বাচনেই নানা ধরনের লোভনীয় প্রতিশ্রুতির ডালা সাজিয়ে রাখা হয়েছে জনগণের সামনে। নির্বাচন শেষে বিজয়ী দল সবচেয়ে আগে ভুলে গেছে সেসব প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকারের কথা। আগে যাঁরা বলেছেন ব্যবসা-বাণিজ্যকে চাঁদামুক্ত করার কথা, নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর চাঁদাবাজিকে তাঁরা তাঁদের দলীয় কর্মকাণ্ডে পরিণত করে নিয়েছেন। এমন ব্যবস্থা করেছেন, যেন চাঁদাবাজি করার একক অধিকার কেবল তাঁদের দলের নেতা-কর্মীদেরই থাকে! মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলার পর দেখা গেছে মাদকের গডফাদারকে পাশে বসিয়ে মন্ত্রী-এমপিরা বড় বড় অনুষ্ঠানে হাজির হচ্ছেন।

এ রকম অনেক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর রয়েছে দারুণ দক্ষতা। তারা পারে, অবলীলায় সব ভুলে যেতে পারে। ভুলে গিয়ে তারা লজ্জাও পায় না। জনগণও কেন যেন অসহায়ের মতো সব মেনে নেয়। ‘যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করেননি’—এমন কথা নেতাদের সামনে উচ্চারণও করে না। এসব যেন অনেকটা নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে এ দেশে। অথচ এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন যে একেবারেই অসম্ভব, তা কিন্তু নয়। চাঁদাবাজি, অর্থ পাচার, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড—এসব বন্ধ করা অসম্ভব কিছু নয়। সরকার চাইলেই পারে। কিন্তু রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নকে টিকিয়ে রাখতে তারা ওই পথে যায় না। বরং গতানুগতিক গড্ডলিকা প্রবাহেই গা ভাসায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন