জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলো কি মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে না?

প্রথম আলো সঞ্জীব দ্রং প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৩৩

‘একদিন আমাদের দিন ফিরে আসবে। পূর্ণিমার রাতে প্রেমিক-প্রেমিকার মিলন হবে। সমাজ থেকে পাপ ও অশুচিতা দূর হয়ে যাবে। পাহাড়ের গ্রামে গ্রামে বসবে আনন্দ-উৎসব। বনের পাখিরা গান গাইবে। গাছের ছায়াতলে জন্ম নেবে নতুন শিশু। একদিন আমাদেরও দিন ফিরে আসবে’—এমন গান বহু বছর আগে গাইত লোহার জাতির মানুষেরা।


কিন্তু সেই নিয়মিত জীবনে হঠাৎ করেই ঢুকে পড়ে বহিরাগত মানুষের দল। সঙ্গে আসে মহাজন, জোতদার-তহশিলদার, সুদখোর, থানা-পুলিশ, বন পাহারাদার আর গোরমেন। লোহারদের গ্রাম ছিল ধূলিধূসর। মাটির রং বড় অদ্ভুত—গাঢ় বাদামি-লাল। এমন মাটি লাল মাটির দেশেও খুব একটা চোখে পড়ে না। সেই মাটি খুঁড়ে তারা লোহা তুলত, কামারশালায় নিয়ে বানাত লোহার জিনিসপত্র।


বলা হয়, তারা আগুন খেত, আগুনে স্নান করত। তাদের নগরের নাম ছিল লোহরী। কফিল আহমেদ গেয়েছেন—‘আগুনে ঘুমাই, আগুনে খাই’। কোথা থেকে তিনি এসব কথা পেয়েছেন, কে জানে। লোককথা আছে, লোহার কাজ করে তারা যে ধনদৌলত অর্জন করত, একদিন তা সব ছাই হয়ে বাতাসে উড়ে যায়। সেই থেকেই লোহার জাতি চরম দরিদ্র।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও