You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মিথ্যা বলার অভ্যাস ছাড়ার ৫ উপায়

আমরা কেউই নিজেদের ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে ভাবতে পছন্দ করি না। কিন্তু বাস্তবে আমরা কমবেশি ছোট-বড় মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ফেলি। ছোটদের ক্ষেত্রে এটি সহজাত মনে হলেও বড়দের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বড় সমস্যার সৃষ্টি করে। মিথ্যা বলা অনেকের ক্ষেত্রে একটি বদ-অভ্যাসে পরিণত হয়। কখনো অন্যকে আঘাত না করতে, কখনো নিজের স্বার্থ হাসিলে বা কখনো স্রেফ নিজেকে বড় করে দেখানোর জন্য মানুষ মিথ্যার আশ্রয় নেয়। কিন্তু এই অভ্যাস দীর্ঘ মেয়াদে বিশ্বাস ও সম্পর্কের ফাটল ধরায়। মানুষ তখনই মিথ্যা বলে, যখন সত্য বলার বিষয়টি তার স্বচ্ছন্দের সীমানা বা কমফোর্ট জোন অতিক্রম করে। তবে সদিচ্ছা থাকলে এই অভ্যাস পরিবর্তন করা সম্ভব।

মিথ্যার কারণ বা ‘ট্রিগার’ খুঁজুন

মিথ্যা বলার আগে একটু থেমে নিজেকে পর্যবেক্ষণ করুন। আপনি কোথায় আছেন? কার সঙ্গে আছেন? সেই মুহূর্তে আপনার অনুভূতি কেমন? আপনি কি নিজেকে ভালো দেখাতে বা অন্য কাউকে খারাপ লাগা থেকে বাঁচাতে মিথ্যা বলছেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনাকে সেই পরিস্থিতি বা আবেগগুলো চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে, যা আপনাকে মিথ্যা বলতে বাধ্য করে। মিথ্যার ধরন শনাক্ত করুন। বসে ভাবুন, আপনি কোন ধরনের মিথ্যা বেশি বলেন। এটি কি তথ্য গোপন করা, অতিরঞ্জিত করে বলা নাকি সম্পূর্ণ বানোয়াট গল্প? মিথ্যার ধরন বুঝতে পারলে এর পেছনের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা সহজ হয়।

নিজের সীমানা নির্ধারণ করুন

অনেকে অন্যদের সোজাসুজি ‘না’ বলতে পারেন না বলে মিথ্যার আশ্রয় নেন। যেমন ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও কাউকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া। নিজের প্রয়োজন বা সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে কথা বলা শিখুন। সত্যের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ উত্তর দিন, যা অন্যরা শুনতে চায়, তেমন উত্তর নয়। কারও ব্যক্তিগত বা অস্বস্তিকর প্রশ্নের উত্তরে মিথ্যা বলার প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারেন, ‘আমি এই বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না’ বা ‘এটি আমাদের ব্যক্তিগত বিষয়’। মিথ্যা না বলে স্রেফ তথ্য শেয়ার করতে অস্বীকৃতি জানানো আপনার অধিকার।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন