বাবার ছবি মোবাইলে রাখেন না দিলদারের মেয়ে, কারণ...

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪১

২০ বছর বয়সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে দিলদার হয়তো বুঝতে পারেননি—হাসিই হবে তাঁর ভাষা, মানুষের মন ছোঁয়ার সবচেয়ে সহজ পথ। সেই হাসিকে সঙ্গী করেই একসময় তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কৌতুক অভিনেতা। তাঁর অভিনয়ে ছিল নির্মল আনন্দ, আবার ছিল জীবনের তীক্ষ্ণ রসিকতা। একসময় প্রযোজকদের কাছে ‘দিলদার’ মানেই ছিল হিট ছবির নিশ্চয়তা। তাঁর জন্য লেখা হতো আলাদা গল্প, চরিত্র পেত বিশেষ মর্যাদা।


মানুষকে হাসাতে হাসাতে তিনি অর্জন করেন খ্যাতি, সম্মান এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বেঁচে থাকলে আজ তাঁর বয়স হতো ৮১ বছর। ২০০৩ সালে মারা যান। মৃত্যুর দুই দশক পরও অনেকেই মনে করেন, বাংলা চলচ্চিত্রে কৌতুক অভিনয়ের সেই জায়গাটি আজও শূন্য। অভিনয়ের ভাষা, কণ্ঠস্বরের ওঠানামা আর শরীরী ভঙ্গিতে দিলদার ছিলেন স্বকীয়। সিনেমা হলে দর্শক মুগ্ধ হয়ে দেখতেন তাঁকে। আজও টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর উপস্থিতি প্রমাণ করে—দিলদার সময়কে অতিক্রম করে আছেন।


চাকরি, সংসার আর অভিনয়ের দোটানা


১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্ম নেওয়া দেলোয়ার হোসেন নাম বদলে হয়েছিলেন দিলদার হোসেন। এই নামেই তিনি ঠাঁই করে নেন দর্শকহৃদয়ে। তবে পর্দার হাস্যোজ্জ্বল মানুষটির বাস্তব জীবন খুব একটা সহজ ছিল না। দিলদারের ছোট মেয়ে জিনিয়া আফরোজ বলেন, ‘সবাই আব্বুর অভিনয়ে হেসেছে, কিন্তু আব্বু নিজে খুব একটা হাসতেন না। তাঁর জীবন এতটা হাস্যোজ্জ্বল ছিল না। অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাঁকে যেতে হয়েছে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও