শক্তির রাজনীতি কি আন্তর্জাতিক আইনকে অকার্যকর করে দিচ্ছে?

জাগো নিউজ ২৪ প্রশান্ত কুমার শীল প্রকাশিত: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৬

বিশ্ব রাজনীতি আবার এক অনিশ্চিত অধ্যায়ে প্রবেশ করছে। দীর্ঘদিন ধরে যেসব ধারণা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রেখেছিল যেমন: সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন, বহুপাক্ষিকতা—সেগুলো একে একে প্রশ্নের মুখে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে গ্রিনল্যান্ড। একটি জনবিরল, বরফাচ্ছন্ন দ্বীপ। কিন্তু কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দিক থেকে যার গুরুত্ব আজ বৈশ্বিক।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, “২০ দিন পর থেকে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভাবব।” এটি নিছক রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। এটি একটি স্পষ্ট কূটনৈতিক হুমকি। সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া এই বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তির ভাষার প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।


এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গভীর রাতে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা এখনো বিশ্বকে নাড়া দিচ্ছে। একটি সার্বভৌম দেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে বিদেশি সেনা অভিযানের মাধ্যমে তুলে নিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি বিপজ্জনক নজির। এই ঘটনার মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গে ট্রাম্পের হুমকি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।


গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এটি কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নয়। আবার পুরোপুরি উপনিবেশও নয়। ১৯৫৩ সাল থেকে এটি ডেনমার্কের সাংবিধানিক কাঠামোর অংশ। ২০০৯ সালে গ্রিনল্যান্ডকে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেওয়া হয়। এমনকি ভবিষ্যতে গণভোটের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার সাংবিধানিক অধিকারও রয়েছে তাদের। কিন্তু কোনো তৃতীয় রাষ্ট্রের চাপ বা হস্তক্ষেপের সুযোগ আন্তর্জাতিক আইন দেয় না।


ডেনমার্ক ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র। ফলে গ্রিনল্যান্ডও ন্যাটোর নিরাপত্তা ছাতার আওতায় পড়ে। এই বাস্তবতায় একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্য শুধু ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে না, ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ ঐক্যকেও চ্যালেঞ্জ করে।


এটি প্রথমবার নয়। ২০১৯ সালেই ট্রাম্প প্রথম গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন বিশ্ব বিস্মিত হয়েছিল। ডেনমার্ক সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক নেতৃত্বও তা নাকচ করে দেয়। সেই ‘না’ আজ যেন নতুন করে আগ্রাসী ভাষায় ফিরে এসেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও