২০২৫ সালে ১ লাখ ২৬ হাজার কর্মী ছাঁটাই হয়েছে, টিকে থাকতে হলে আপনার যে দক্ষতা লাগবে
২০২৫ সালে প্রযুক্তিবিশ্বে বেশ বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। এখনো বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। বছরের শুরুতেই আমরা দেখছি বিশাল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর। প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টেক কর্মী তাঁদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। তবে এই ছাঁটাই মানেই কিন্তু কর্মসংস্থানের সমাপ্তি নয়, বরং এটি একটি নতুন যুগের ইঙ্গিত। গুগল, অ্যামাজন বা মেটার মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন এমন দক্ষ মানুষ খুঁজছে, যাঁরা আধুনিক প্রযুক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম। তাই পুরোনো দক্ষতা নিয়ে বসে না থেকে নতুন যুগের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে বদলে ফেলাই এখন টিকে থাকার একমাত্র পথ। কোন ক্ষেত্রে নিজেকে বদলাবেন? আপনি কি নিজের পেশা পরিবর্তন করবেন? চলুন, বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতাগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক। তারপর আপনি বাছাই করে দেখুন, নিজের বর্তমান পেশায় টিকে থাকতে পারবেন, নাকি বদলাবেন!
১. এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার
এখন শুধু এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করতে জানলেই হবে না, বরং এআই দিয়ে নিখুঁতভাবে কাজ করিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। যেমন একজন প্রোগ্রামার এখন শুধু নিজে কোড লিখবেন না, বরং এআই দিয়ে লিখিয়ে নিয়ে তা তদারক করবেন। যাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন, তাঁদের কর্মক্ষেত্রে কদর বাড়বে।
২. সাইবার নিরাপত্তা
প্রযুক্তির আয়তন যত বাড়ছে, ডিজিটাল তথ্য চুরির ঝুঁকিও তত বাড়ছে। ক্লাউড নিরাপত্তা ও এথিক্যাল হ্যাকিংয়ের (অনুমতি নিয়ে কোনো সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার দুর্বলতা পরীক্ষা করে তা ঠিক করার প্রক্রিয়া।) ওপর যাঁদের দখল আছে, এই অস্থির সময়ে তাঁদের চাহিদাও আকাশচুম্বী।
৩. তথ্যের সহজ উপস্থাপন
জটিল সব গাণিতিক তথ্য বা ডেটাকে সহজ ভাষায় ব্যবসার উন্নতির জন্য বুঝিয়ে বলতে পারা একটি বড় যোগ্যতা। আপনার বিশ্লেষণ যদি প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়াতে বা খরচ কমাতে সরাসরি সাহায্য না করে, তবে সেই তথ্যের কোনো মূল্য নেই।
- ট্যাগ:
- লাইফ
- কর্মদক্ষতা