এরপর কি তবে ইরান?

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:৫০

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র অপহরণ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের প্রতি কড়া বার্তা দেন ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ ইয়াইর লাপিদ। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলায় যা ঘটছে, তা তেহরানের গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাপ্রবাহ ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।


ট্রাম্পের হুমকি
মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরানোর ঘটনা ঘটে এমন সময় ঘটলো, যার মাত্র কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দেন।


তিনি বলেন, এখন আমি শুনছি যে ইরান আবারও তাদের গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। যদি তারা তা করে, তাহলে আমাদের তাদের ধ্বংস করতে হবে। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আমরা তাদের ধ্বংস করবো। আমরা তাদের ধ্বংস করে দেবো।’


যুদ্ধের শঙ্কা জোরদার
যদিও কারাকাস ও তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিরোধের পটভূমি আলাদা, তবু বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের পদক্ষেপ ইরানের ক্ষেত্রে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা জোরদার করছে।


ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের সভাপতি জামাল আবদি বলেন, নতুন এক ধরনের আইনহীনতা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করছে এবং যুদ্ধকে আরও সম্ভাব্য করে তুলছে। তার মতে, হয় ট্রাম্প সীমিত পরিসরে সরকার পরিবর্তনের ধারণায় আকৃষ্ট হচ্ছেন, অথবা ইসরায়েলকে একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষ সমর্থন দিচ্ছে—দুটি ক্ষেত্রেই ইরান যুদ্ধের পক্ষে চাপ সৃষ্টিকারী শক্তিগুলো গতি পাচ্ছে।


আবদি আরও বলেন, মাদুরোর অপহরণ ইরানকে এমন পদক্ষেপ নিতে প্ররোচিত করতে পারে, যা সরাসরি সামরিক সংঘাতের সূচনা ঘটাবে। এর মধ্যে সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা বা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার আগেই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও