You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ট্রাম্পের মাথার ভেতরে আসলে কী চলছে

ভেনেজুয়েলার কট্টর সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার খবর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ও বিস্ময় ছড়াবে।

এই অভ্যুত্থান অবৈধ। এটি উসকানিহীন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্যও এটি বিপজ্জনক। এটি আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বিরোধী। এই অভিযান সার্বভৌম ভূখণ্ডের অধিকার উপেক্ষা করে, যা ভেনেজুয়েলার ভেতরে নৈরাজ্য তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ায়। এটি নীতির নামে বিশৃঙ্খলা। কিন্তু এটাই এখনকার দুনিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুনিয়া।

ভেনেজুয়েলার ওপর সরাসরি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সীমাহীন ক্ষমতার এক ভয়ংকর প্রদর্শন। একই সপ্তাহে ট্রাম্প আরেকটি পশ্চিমবিরোধী ও অজনপ্রিয় শাসনের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। সেটি ইরান। মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ কয়েক মাস ধরেই বাড়ছিল। এর মধ্যে কথিত মাদক পাচারকারীদের নৌকায় প্রাণঘাতী সামুদ্রিক হামলাও ছিল।

ট্রাম্প দাবি করছেন, ভেনেজুয়েলা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক প্রবেশ ঠেকাতেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তথাকথিত ‘অপরাধী’ অভিবাসীদের ঢল থামানোই তাঁর লক্ষ্য।

২০০৩ সালে ইরাক আগ্রাসনের মতোই, এবারও অভিযোগ উঠেছে ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল ও গ্যাস সম্পদের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নজর রয়েছে। এই সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র বারবার অবৈধভাবে ভেনেজুয়েলার তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে।

তবে ট্রাম্পের মূল উদ্দেশ্য সম্ভবত ব্যক্তিগত। মাদুরোর প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শত্রুতা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি উনিশ শতকের মনরো নীতি নতুন করে জাগিয়ে তুলতে চান। অর্থাৎ পুরো পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চান।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোসহ আঞ্চলিক নেতারা এই অভ্যুত্থানে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পেত্রোর সঙ্গে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিরোধও হয়েছে। অনেক নেতাই আশঙ্কা করছেন, তাঁরাও একদিন ওয়াশিংটনের নতুন আক্রমণাত্মক আধিপত্যের শিকার হতে পারেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন