নতুন বছরে দেশের অর্থনীতি: সংকটের মধ্যেও পুনরুদ্ধারের আশা
নাজুক ব্যাংকিং খাত, ঋণাত্মক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে স্থবিরতা দীর্ঘ হচ্ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষয়িষ্ণু ব্যবসায়িক আস্থার প্রেক্ষাপটে নানান চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২০২৬ সালে পা রাখলো বাংলাদেশের অর্থনীতি।
ব্যবসায়ী মহল ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলে নতুন বছরে অর্থনীতি আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারে।
তবে তারা দেশীয় ও বৈশ্বিক উভয় প্রেক্ষাপটে একাধিক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তারা বলেন, বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা ও কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।
রপ্তানি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে চাপ
বৈশ্বিক শুল্ক ও বাণিজ্য পরিস্থিতি বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা রপ্তানি আয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। চতুর্থ মাসের মতো টানা পতনের ধারায় রয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। নভেম্বরে রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার।