অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় কৌশলে প্রাধান্য

যুগান্তর প্রকাশিত: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০৬

চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন মেয়াদের মুদ্রানীতিতে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষার কৌশলের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসাবে ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ বিতরণে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, তারল্যের জোগান বাড়ানো, খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতির লাগাম টানা এবং ঋণ আদায় বাড়ানোর মতো পদক্ষেপগুলোতে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বাড়িয়ে নিরাপদ মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার দৃষ্টিভঙ্গিতে গুরুত্ব থাকবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানবান্ধব বিনিয়োগ নীতি গ্রহণ করা হবে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সুদের হার কমানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আগামী ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে।


সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মেয়াদের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে মুদ্রানীতির ধরন কেমন হওয়া উচিত, এ নিয়ে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে নীতি সুদের হার কমানোর বিষয়েই বেশির ভাগ বক্তা মতামত দিয়েছেন।


আগামী ৮ জানুয়ারি বরিশালে ও ১৫ জানুয়ারি রংপুরে মুদ্রানীতি নিয়ে অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসব মতামত সমন্বয় করে আগামী ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। মূলত ওই বৈঠকেই মুদ্রানীতির কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে। আগামী ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় তা উপস্থাপন করে চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হবে। এরপর ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে মুদ্রানীতি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। এবারের মুদ্রানীতি এমন সময় ঘোষণা করা হচ্ছে, যখন দেশ একটি নির্বাচনি আবহে মত্ত। মুদ্রানীতির বড় অংশই বাস্তবায়ন করতে হবে নির্বাচিত সরকারের সময়ে। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে কর্মসংস্থান বাড়ানোর দিকে নজর দেবে-এটিই স্বাভাবিক। সে লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবারের মুদ্রানীতিকে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগবান্ধব করার দিকে জোর দিচ্ছে। পাশাপাশি দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ধরে রেখে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে জোরদার করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ কারণে বিনিয়োগ বাড়াতে সুদের হার কমানোর বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্তের আগে ডিসেম্বর মাসের অর্থনৈতিক বিভিন্ন খাতের তথ্য-উপাত্তগুলো পর্যালোচনা করা হবে।


সরকারের ঋণ গ্রহণের অন্যতম উপকরণ ট্রেজারি বিল বন্ডের সুদের হার ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে সঞ্চয়পত্রের সুদের হারও কমানো হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য জমছে। এর মাধ্যমে বাজারে ঋণের সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আগামীতে তা আরও জোরালো হবে। ফলে ঋণের সুদের হার নিম্নমুখী হবে। যা বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করবে।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও