আইসিসি রেটিংয়ে কাঠগড়ায় বাংলাদেশের পিচ
মাত্র দুই দিনে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের বক্সিং ডে টেস্ট শেষ হওয়ায় মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের (এমসিজি) উইকেটের সমালোচনা করেছেন অনেকে। আইসিসি নিযুক্ত ম্যাচ রেফারি এমসিজির পিচকে ‘অসন্তোষজনক’ রেটিং দেওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পিচের আচরণ নিয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণও শুরু হয়েছে।
যার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লুটিসি) ম্যাচগুলোতে আইসিসির দেওয়া রেটিংয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক হতাশাজনক ছবিই ফুটে উঠেছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্যের বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, পিচের মান এবং আউটফিল্ড—দুই ক্ষেত্রেই টেস্ট খেলুড়ে অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে। ব্যাটসম্যান এবং বোলার, দুই পক্ষের জন্য ভালো উইকেটের স্বীকৃতি দেওয়া হয় যে রেটিংয়ে, বাংলাদেশ সেখানে সব দলের মধ্যে তলানিতে অবস্থান করছে।
পিচ রেটিং আসলে কী
ক্রিকেটে একটি ম্যাচের ফল নির্ধারণে পিচের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। যেমন ভালো স্পিনার থাকা দলগুলো স্পিনবান্ধব উইকেটে ভালো করে, আবার ভালো পেসার থাকা দল সিম-সহায়ক উইকেটে ভালো করে। কিছু পিচ আবার পুরোপুরি ব্যাটিংবান্ধব। আইসিসি মাঠে খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ব্যাট ও বলের মধ্যে ন্যায্য লড়াই বজায় রাখতে রেটিং ব্যবস্থা চালু করেছে।
প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের পর মাঠের পিচ ও আউটফিল্ডের রেটিং করে থাকেন ম্যাচ রেফারি, যা আইসিসিতে জমা হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বরের আগপর্যন্ত রেটিং দেওয়া হতো ৬ ক্যাটাগরিতে। এগুলো ছিল ‘খুব ভালো’, ‘ভালো, ‘গড়পড়তা’, ‘গড়পড়তার নিচে’, ‘বাজে’ এবং ‘খেলার অযোগ্য’।