You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মা–বাবার কি প্রিয় সন্তান থাকে

শৈশবে কখনো কখনো মনে হয়, মা–বাবা নির্দিষ্ট একজনকে বেশি বেশি আদর করছেন। এই সন্তান বাড়তি আদর পাচ্ছে, হাতখরচ থেকে শুরু করে ঘুরতে যাওয়া, নতুন কিছু পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক পরিবারেই একজন অন্যদের থেকে বেশি পায়।

এমনকি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রেও এই বৈষম্য দূর হয় না। সন্তানেরা বড় হওয়ার পরও মা–বাবার এমন পক্ষপাত দেখে অনেকে কষ্ট পান। দেখা যায়, হয়তো মা ঈদের দিন নির্দিষ্ট এক সন্তানের বাসায় থাকতে চাইছেন।

কোনো সন্দেহ নেই, এতে সন্তান কষ্ট পায়। সন্তান মনে করে, সারা জীবন মা–বাবা তাকে উপেক্ষা করেছেন। এই বৈষম্য আর অবহেলার অনুভূতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও সব সময় সফল হওয়া যায় না। মানসিক স্বাস্থ্যে এর গভীর প্রভাব আছে।

অনেক সন্তানই এই কষ্ট কাটিয়ে উঠতে পারে না। গত কয়েক দশকের গবেষণা বলছে, মা–বাবার পক্ষ থেকে বৈষম্যের অভিজ্ঞতা মোটেও বিরল না। যেসব সন্তান নিজেদের কম প্রিয় বলে মনে করে, তারা শৈশবে বেশি মানসিক সমস্যায় ভোগে। তাদের পরিবারে সম্পর্ক দুর্বল হয়, পড়াশোনায়ও তারা পিছিয়ে পড়ে। প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে এর প্রভাব থেকে যায়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড় পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয় একটি প্রশ্ন করে, সে নিজেকে মা–বাবার প্রিয় মনে করে কি না। বৈবাহিক অবস্থা, চাকরি, বয়স—এসবের চেয়েও এটি জীবনে বেশি প্রভাব ফেলে। কেবল শারীরিক স্বাস্থ্যই এর চেয়ে এগিয়ে আছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন