You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মুক্তিযুদ্ধের বয়ানে রাষ্ট্রের ইতিহাস আসে, কৃষকের কথা আসে না

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ মূলত সংঘটিত হয়েছে দেশের গ্রামে গ্রামে। এ যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ। তাদের পালিয়ে থাকতে হয়েছে। কেননা বাড়িতে নিরাপত্তার অভাব ছিল। যে কারণে সেসময় দেশের কৃষকরা ঠিকমতো কৃষি বা অন্য কাজও করতে পারেননি। ফলে তারা অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের গ্রামের মানুষের অবস্থা বেশ খারাপ ছিল।

সে সময় গ্রামগুলো জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ে। এর কারণ বেশির ভাগ গ্রামে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যদিও সব শান্তি কমিটি খারাপ ছিল না। কিন্তু এ কমিটি থাকার অর্থই ছিল কোনো না কোনো উপায়ে গ্রামীণ মানুষ নির্যাতন-অত্যাচারের শিকার হবে। এ রকম পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই কৃষকের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। তারা মাঠে যেতেই ভয় পেতেন। তাদের ভয় ছিল হঠাৎ করেই তাদের তুলে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হবে। সেসময় কৃষিতে নারীদের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। যেসব নারী কৃষির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের মধ্যে আরো বেশি ভীতি কাজ করত। তারা ঘরের বাইরে যেতে ভয় পেতেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন