You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শিল্পের দূষণে ডুবছে সাভার ও ধামরাইয়ের কৃষিজমি

মো. আলাউদ্দিনের কৃষক পরিচয় কত দিন থাকবে, তা অনিশ্চিত। ২০২৩ সালেও নিজের ৩১ শতক জমি থেকে তিনি ২৫ মণের মতো ধান পেয়েছিলেন। গত বছর ফলন ১৮ মণে নেমেছে। এ বছর চাষই করতে পারেননি।

ঢাকার ধামরাই উপজেলার ডাউটিয়া গ্রামের আলাউদ্দিন গত সেপ্টেম্বরের গোড়ায় বলেছিলেন, জমি থেকে পানি সরছে না। ধান ফলানো দূরের কথা, পচা পানির কারণে জমিতে নামাই যায়নি। নভেম্বরেও গিয়ে দেখা যায়, তাঁর জমির ওপর কালো পানিতে কচুরিপানা ভাসছে। অথচ এ জমি কিছুটা উঁচু জায়গায়।

আলাউদ্দিন অন্যের জমিতেও কাজ করতেন। এখন সে কাজ পাচ্ছেন না। পোশাক কারখানায় চাকরি নিয়েছিলেন, কারখানাটি বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘এখন চোখে অন্ধকার দেখি। পরিবার চালাব কীভাবে?’

পাশেই সাভার উপজেলা। সেখানকার কলতাসুতি মৌজায় জাকির হোসেনের সঙ্গে কথা হয় গত ২২ সেপ্টেম্বর। তিনি এবার ২৮ শতক জমিতে ধান বুনেছিলেন। মাত্র ৩ শতকের ধান কাটতে পেরেছেন। জাকির বলেন, ‘বাকি জায়গার ধান কারখানার পানির ঢলে গাছসহ পচা কাদামাটিতে পড়ে গেছে। ধান যদি–বা হয়, অধিকাংশই চিটা।’

আলাউদ্দিন আর জাকিরদের জমির অদূরে ভিত উঁচু করে গড়ে উঠছে ছোট–বড় শিল্পকারখানা। সেগুলোর তরল বর্জ্য নিচের আবাদি জমিতে জমছে। মাটি হয়ে উঠেছে বিষাক্ত কাদা। তাতে শিল্পবর্জ্যের ঝাঁজালো গন্ধ। অনেক জমি ডোবায় পরিণত হয়েছে। ছোট কৃষকেরাই বেশি ভুগছেন।

গত সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ধামরাইয়ের ডাউটিয়া ও জয়পুরা মৌজার একাংশ এবং সাভার উপজেলার কলতাসুতি মৌজার বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখেছেন এই প্রতিবেদক। ডাউটিয়া-জয়পুরায় ছয় দিনে ৩০ জন এবং কলতাসুতিতে চার দিনে ২৫ জন কৃষকের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। এসব এলাকা থেকে সংগ্রহ করা মাটি, পানি ও ধানের নমুনা পরীক্ষা করিয়ে ক্ষতিকর রাসায়নিকের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সরকারি একাধিক দপ্তরের কর্মকর্তাদের সূত্রে পাওয়া তথ্যে গত ১০ বছরে উপজেলা দুটিতে কৃষিজমি কমার আর শিল্পকারখানা বাড়ার হিসাব পাওয়া গেছে। অপরিকল্পিত কলকারখানার আগ্রাসনে দূষণের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে পরিবেশবিদ ও নগরবিদেরা বলেছেন, এই দূষণ নদীতে আর ফসলেও চলে যাচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন