এমটি কায়রোসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: চার বাংলাদেশি নাবিক কেমন আছেন?

বিডি নিউজ ২৪ তুরস্ক প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩০

ক্রুড অয়েল ভরার জন্য মিশরের সুয়েজ বন্দর থেকে রাশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নভোরোসিস্ক যাচ্ছিল ২৭৫ মিটার লম্বা চীনা জাহাজ ‘এমটি কায়রোস’। কৃঞ্চ সাগর অতিক্রম করার সময় তুরস্কের জলসীমায় ইউক্রেইনের ‘ড্রোন বোট’ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের শিকার হয় জাহাজটি।


ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে দুই ঘণ্টার মধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় ‘এমটি কায়রোস’কে। তুরস্কের কোস্ট গার্ডের সদস্যরা উদ্ধার করে আগুন লাগা জাহাজের ২৫ নাবিককে। তাদের মধ্যে আছেন চার বাংলাদেশিও। জাহাজটির ২৫ নাবিক সুস্থ থাকলেও হামলার ‘ঘোর’ কাটছেই না তাদের।


অন্য নাবিকদের মধ্যে চীনের ১৯ জন এবং মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার একজন করে আছেন। ওই জাহাজ থেকে উদ্ধার হওয়া চার বাংলাদেশি হলেন, চতুর্থ প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম, অয়েলার হাবিবুর রহমান, পাম্প ম্যান আসগর হোসাইন ও ডেক ক্যাডেট আল আমিন হোসেন।


কায়রোসের ২৫ নাবিক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বর্তমানে তুরস্কের ইজমিত শহরে দেশটির কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রয়েছেন। শনিবার রাতে কথা হয় বাংলাদেশি নাবিক প্রকৌশলী মাহফুজুল হকের সাথে।


ঘটনার বর্ণনায় তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা মিশরের পোর্ট সুয়েজ থেকে খালি জাহাজ নিয়ে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরে যাচ্ছিলাম। বসফরাস প্রণালি পার হয়ে শুক্রবার কৃঞ্চ সাগর (ব্ল্যাক সি) অতিক্রম করছিলাম। তুরস্কের জলসীমায় কৃঞ্চ সাগরে ২৮ থেকে ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরত্ব অতিক্রম করার পর স্থানীয় সময় বিকাল পৌনে ৫টা থেকে ৪টা ৫০ মিনিটের মধ্যে মিসাইল আক্রমণ করে।


“প্রথমটি জাহাজের প্রপেলারে গিয়ে আঘাত করে এবং সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১০ মিনিট পরেই আরেকটি মিসাইল আক্রমণ হয়। সেটি জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষের ফুয়েল ট্যাংকারে আঘাত হানার পর আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও