এসপিএফ আসলে কী? সানস্ক্রিন নিয়ে যত ভ্রান্ত ধারণা ছড়াচ্ছেন ইনফ্লুয়েন্সাররা

কালের কণ্ঠ প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১২:২৯

গরমকালে রোদ মানেই ঘামঝরা দিন, সাগরপাড়ে ভিড়, আর সঙ্গে সানস্ক্রিনের টিউব। তবে সানস্ক্রিন নিয়েও আছে অজস্র ভুল ধারণা। অনেক সময় এমন বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তথাকথিত ওয়েলনেস ইনফ্লুয়েন্সাররা, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরাও দ্বিধায় রাখেন ব্যবহারকারীদের। 


তাহলে আসলেই সানস্ক্রিন কতটা কাজ করে? সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর (এসপিএফ) মানে কী? মেঘলা দিনে রোদে পোড়া হয় না—এটা কি সত্যি? চলুন, বিজ্ঞানের গবেষণায় ভর করে জেনে নেওয়া যাক এসব তথ্য।


এসপিএফ-৫০ মানে ৫০ গুন বেশি সময় নয়


অনেকে মনে করেন এসপিএফ-৫০ মানে, আপনি সানস্ক্রিন মেখে রোদে ৫০ গুণ বেশি সময় থাকতে পারবেন। আসলে তা নয়। এসপিএফ কেবল বলে দেয়, রোদে পোড়ার জন্য দায়ী ইউভি রশ্মির কত শতাংশ আপনার ত্বকে পৌঁছাবে। যেমন, এসপিএফ-২৫ আটকায় ৯৬%, আর এসপিএফ-৫০ আটকায় ৯৮% ক্ষতিকর রশ্মি।


তবে গবেষণাগারে যে ঘনত্বে (২ মি.গ্রা./সেমি²) সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হয়, বাস্তবে মানুষ তা অনেক কম মাখেন। তাই সঠিক সুরক্ষা পেতে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর এবং সাঁতার বা ঘেমে যাওয়ার পর আবার সানস্ক্রিন লাগানো জরুরি।


ইউভিএ ও ইউভিবি দুটোই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়


অনেকে ধারণা করেন, ইউভিএ শুধু ত্বকের বয়স বাড়িয়ে দেয় আর ইউভিবি ক্যান্সারের জন্য দায়ী। আসলে দুটোই ক্ষতিকর।


ইউভিএ ত্বকের গভীরে ঢুকে কালো দাগ বা মেলাজমা বাড়ায়, আবার ইউভিবি পোড়ায় ত্বকের বাইরের স্তর। দুটোই দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। তাই ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন সবচেয়ে নিরাপদ।


মেঘলা দিনেও রোদে পোড়া সম্ভব


মেঘ আকাশ ঢেকেও দিতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে রোদ প্রতিফলিতও হতে পারে। পাতলা মেঘ ইউভি রশ্মিকে আটকে রাখতে পারে না।


ফলে মেঘলা দিনে সানস্ক্রিন ছাড়া বের হলে রোদে পোড়া থেকে রেহাই নেই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও