কর্মক্ষেত্রে বুলিং: শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৫, ১১:৪২

কর্মক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির প্রতি অন্য সহকর্মী দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে ও নিয়মিতভাবে খারাপ আচরণ করাকে কর্মক্ষেত্রে বুলিং অথবা উৎপীড়ন বলে। এটি কর্মক্ষেত্রের পরিবেশকে বিষাক্ত করে তোলে, কর্মীর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়; কর্মীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে।


প্রকারভেদ


কর্মক্ষেত্রে বুলিং বিভিন্ন রকম হয়—



  • মৌখিক বুলিং: গালিগালাজ, অপমানজনক মন্তব্য, সবার সামনে ছোট করা, বিদ্রূপ করা।

  • শারীরিক বুলিং: মারামারি, ধাক্কা দেওয়া অথবা শারীরিকভাবে আঘাত করা।

  • সাইবার বুলিং: অনলাইনে বা সামাজিক মাধ্যমে অপমানজনক বার্তা পাঠানো, মোবাইলে ফোন করে খারাপ ব্যবহার করা।


কেন করা হয়?


এই উৎপীড়নের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে—



  • কর্মক্ষেত্রে ক্ষমতা জাহির করা।

  • সহকর্মীর প্রতি ঈর্ষা।

  • ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সামনে নিজেকে জাহির করার ইচ্ছা।

  • কর্মীর পারিবারিক অথবা মানসিক সমস্যা; যা কর্মক্ষেত্রে প্রতিফলিত হয়।


কর্মীর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব


বুলিং কর্মীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। এর কারণে অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তি চাকরি ছেড়ে দেওয়া, অনেক সময় আত্মহত্যাও করতে পারেন।


মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব



  • ডিপ্রেশন বা হতাশা

  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা

  • ইনসমনিয়া বা ঘুম কম হওয়া

  • আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া

  • আত্মহত্যার প্রবণতা

  • শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব


কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া



  • ওজন বেড়ে যাওয়া

  • হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া

  • মানসিক চাপ ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগকে অনিয়ন্ত্রিত করে দেয়।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও