সিলেট-চট্টগ্রামে এ মাসের দুই টেস্টের জিম্বাবুয়ে সিরিজটাকে বলতে পারেন অ্যাপেটাইজার। এরপর মেইন ডিশ এবং সেটি এতটাই বিশাল থালা সাজিয়ে আসবে যে ক্রিকেটাররা খেলতে খেলতে দম ফেলার সুযোগ পাবেন না।
২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত বিস্তৃত বর্তমান ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনাতেই (এফটিপি) খেলার বন্যা, আছে এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। ‘ননস্টপ ক্রিকেট’-এর ঠাসা এই সূচিতে সুচ ঢোকানোরও আর জায়গা নেই। বাংলাদেশ দলের জন্য ভীষণ ব্যস্ত এই সময়টা শুরু হয়ে যাচ্ছে আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজ দিয়েই।
খেলার সংখ্যা দিয়েই বোঝানো যাক ব্যস্ততাটাকে। ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত বর্তমান এফটিপির বাকি সময়ে বাংলাদেশ দল পরপর দুই মাস খেলাবিহীন থাকবে শুধু এ বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে। বাকি সময়টাতে এক মাসের বেশি ফাঁকা সময় নেই কখনোই। দুই বছরের কম এই সময়ে বাংলাদেশ দল শুধু দ্বিপক্ষীয় সিরিজই খেলবে ১৬টি।
এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ, অর্থাৎ টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি সবই আছে, এমন সিরিজ তিনটি। তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজ পাঁচটি, দুই টেস্ট ও তিন ওয়ানডে হবে একটি সিরিজে। এফটিপি অনুযায়ী ১৬টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশের টেস্ট খেলার কথা মোট ১৮টি, ওয়ানডে ৩২টি ও টি-টোয়েন্টি ৩২টি।
এর বাইরে এ বছরের সেপ্টেম্বরে আছে এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ও আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগামী দুটি বড় আসর টি-টোয়েন্টি সংস্করণের বলে এর আগে ২০ ওভারের ক্রিকেটেই জোর দেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।