You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিদেশি স্থাপত্য উপকরণের বদলে খড়, বাঁশ, গামছা, বাঁশের চিকে তৈরি হয়েছে যে রেস্তোরাঁ

কেনাকাটা করতে করতে হাঁপিয়ে উঠলে একটু তো জিরোতে মন চায়। এ সময় যদি হাতের কাছেই মিলে যায় দুদণ্ড বিরতির স্থান, তাহলে কী শান্তি! আর এমন ভাবনা থেকেই ফ্যাশন হাউস ‘যাত্রা’ তাদের বুটিক শপের খোলা ছাদে গড়ে তুলেছে ‘যাত্রা বিরতি’।

‘যাত্রা বিরতি’কে শুধু খাবারের দোকান বললে একটু ভুল হবে। যাত্রা বিরতিতে নিয়মিত যাঁরা খেতে যান, তাঁরা জানেন, এ জায়গার সঙ্গে শুধু পেট নয়, আত্মারও সর্ম্পক আছে। আর তাই যাঁরা নিয়মিত যাত্রা বিরতিতে যান, তাঁরাই অনুভব করতে পারেন, এ জায়গায় একটা মায়ার টান আছে।

যাত্রা বিরতিতে বসেই যাত্রা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ইনতেনান মোহাম্মদ জাকির সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তিনি জানান, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ে যখন যাত্রার কার্যক্রম শুরু হয়, তখন সেই ভবনের ছাদটা ফাঁকা ছিল। যাত্রার পক্ষ থেকে বছরে দুই থেকে তিনটি অনুষ্ঠান সেখানে হতো।

কখনো দর্শনীর বিনিময়ে, কখনো বিনা মূল্যে এসব অনুষ্ঠান উপভোগ করতেন দর্শক। সে সময় যাত্রার কর্ণধার আনুশেহ আনাদিলের মনে হলো, শপিং করতে করতে মানুষ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন তাঁর একটু বিরতির প্রয়োজন হয়। সেই ভাবনা থেকেই যাত্রার পুরোনো ভবনের ছাদে যাত্রা শুরু করে অর্গানিক নিরামিষ খাবারের রেস্তোরাঁ ‘যাত্রা বিরতি’।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন