সবার টার্গেট জাতীয় নির্বাচন

কালবেলা প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৮:৩৫

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দায়িত্বভার গ্রহণ করে রাষ্ট্র সংস্কারে মনোযোগ দেয় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংস্কারে কমিশন গঠন করে দেওয়া হয়। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার স্থায়ী রূপ দিতে এ কমিশন কাজ শুরু করেছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে আগামী ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পাশাপাশি বিএনপি, জামায়াত, হেফাজতে ইসলাম, এবি পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। ভিন্ন প্রেক্ষাপটে তারাও চাইছে কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন। সে লক্ষ্যে ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের প্রস্তুতিও সেরে নিচ্ছে দলগুলো। দেশের সাধারণ মানুষও মেতে উঠতে চায় নির্বাচন উপলক্ষে। সবারই টার্গেট জাতীয় নির্বাচন।


নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, দলীয় সরকারের অধীনে বিগত তিনটি ভোট আয়োজন করে পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। নিজেদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন নাগরিকরা। এসব নির্বাচন নিয়ে দেশ-বিদেশে সবসময়ই বিতর্ক ছিল তুঙ্গে। কখনো একতরফা, কখনো রাতের ভোট এবং কখনো ডামি ভোটের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতা নবায়ন করে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল। এ কাজে সহযোগী হিসেবে পাশে ছিল নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও কোনো কোনো রাজনৈতিক দল। ফলে সরকার পতনের পর নির্বাচন ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও