You have reached your daily news limit

Please log in to continue


তৃতীয় আরেকটি যুদ্ধের ঝুঁকি

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক পটভূমি কতটা বদলে গেছে এবং পরাশক্তিগুলোর পারস্পরিক রশি-টানাটানি কতটা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিয়ামক হয়ে উঠেছে, তা চলমান সংকট, সংঘাত ও যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে গাজা ও ইউক্রেন যুদ্ধ বৈশ্বিক বিভেদকে বাড়িয়ে তুলছে। এটি ভূ-রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসকে আরও গভীর করবে এবং নতুন একটি বিশ্বব্যবস্থার দিকে আমাদের ধাবিত করবে। এই দুটি যুদ্ধ তৃতীয় আরেকটি যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। সেটি হলো তাইওয়ান যুদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন ও ইসরায়েলকে বিপুল পরিমাণে যে আমেরিকান আর্টিলারি যুদ্ধাস্ত্র, অত্যাধুনিক বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে যাচ্ছে, সেটিকে আমেরিকান অস্ত্রের মজুত-ক্ষয় হিসেবে মনে করছেন না এমন কেউ নেই। অন্তত চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এটি মনে করছেনই। সেহেতু প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মনে করেন, এই দুটি যুদ্ধ যত বেশি প্রলম্বিত হবে, সেটি চীনের জন্য তত মঙ্গলজনক হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই বিষয় বুঝতে পারছেন। হয়তো সে কারণে তিনি চীনের সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমন করার চেষ্টা করছেন। বাইডেন ও তার জি-৭ ভুক্ত অংশীদার নেতারা ইতিমধ্যে গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, তারা চীনের সঙ্গে তাদের বিদ্যমান সম্পর্ককে ঝুঁকিতে ফেলতে চান না এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই অর্থনীতির সঙ্গে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যাক, এটিও চান না।

কোনো সন্দেহ নেই, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্য অংশীদারিকে নতুন একটি আদল দেওয়ার কথা মাথায় রেখেই এসব প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহ এমনভাবে গতিপথ পরিবর্তন করছে, যা দেখে মনে হচ্ছে বৈশ্বিক অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরে ভাগ হয়ে যেতে পারে। চার দশক ধরে চীনের অর্থনৈতিক উত্থানকে সক্রিয়ভাবে সহজতর করার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে তার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত করেছে। আজ চীন তার নিজের গড়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবাহিনী ও উপকূল রক্ষীবাহিনী নিয়ে গৌরব করছে এবং বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে পশ্চিমা আধিপত্যকে স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন