You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ডেঙ্গুর চিকিৎসা ব্যয়ে রোগীর নাভিশ্বাস

আয়ানের বয়স ৫ মাস ২০ দিন। ছয় দিন আগে ওর ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। দুই হাসপাতাল ঘুরে এখন ওর চিকিৎসা চলছে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে (শিশু হাসপাতাল)।

আয়ানের বাবা হাফিজুর রহমানের চিন্তা ছেলের চিকিৎসার খরচ চালাবেন কী করে, ঢাকায় থাকা-খাওয়ার ব্যয়ই বা কীভাবে মেটাবেন।

হাফিজুর রহমানের বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচরে। গত সপ্তাহে একমাত্র সন্তান আয়ানের জ্বর হয়। তিন দিনে জ্বর ভালো না হওয়ায় স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে ৫ আগস্ট ঢাকায় এসে মগবাজার এলাকার আদ–দ্বীন হাসপাতালে ছেলেকে ভর্তি করান। ওই দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ছেলের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। কিন্তু ওই হাসপাতালে শিশুদের জন্য রেসপিরেটরি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আরআইসিইউ) না থাকায় আয়ানকে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

আদ–দ্বীন হাসপাতালে ১০ হাজার টাকার মতো বিল পরিশোধ করে ওই দিন রাতেই আয়ানকে ভর্তি করান মালিবাগের ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। খরচ বেশি হওয়ায় ওই হাসপাতালে আয়ানকে রাখা আর সম্ভব হয়নি। ১০ আগস্ট রাতে আয়ানকে শিশু হাসপাতালে এনে আরআইসিইউতে রাখা হয়েছে। হিসাবের কাগজপত্রে দেখা যায়, মালিবাগের হাসপাতালটিতে ৭১ হাজার ২০০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হয়েছে আয়ানের বাবাকে। 

আয়ানের মতো বহু ডেঙ্গু রোগী বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হচ্ছে। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় কষ্টে থাকা পরিবারগুলোর কষ্ট আরও বাড়িয়েছে ডেঙ্গু। উল্লেখ্য, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) এক জরিপে গত বছর অক্টোবরে উঠে আসে, ৮৮ শতাংশ মানুষ খাদ্যের চড়া দামকে বড় আঘাত হিসেবে মনে করেন। দ্বিতীয় বড় আঘাত ছিল রোগ ও চিকিৎসা ব্যয়। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন