You have reached your daily news limit

Please log in to continue


গরমে কিশমিশের পানি পানের উপকারিতা

গ্রীষ্মের খরতাপে সুস্থ থাকতে শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখা খুবই জরুরি। গরমে একই ধরনের পানীয় পান করতে করতে একঘেয়েমি লাগলে কিশমিশের পানি খেতে পারেন। ওজন কমানো থেকে শুরু করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে এই পানীয়ের তুলনা নেই।

গরমে কিশমিশের পানি পানের নানা উপকারিতার কথা জানিয়েছেন ভারতীয় পুষ্টিবিদ ও লেখক কবিতা দেবগন। যেমন-

দূষিত পদার্থ দূর করে: প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে আমাদের শরীরে ধুলোবালি, ময়লা, দুঃশ্চিন্তা, প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবারের কারণে দূষিত পদার্থ জমা হয়। কিশমিশের পানি শরীরকে দূষণমুক্তের কাজ করে। এটি শরীরে থাকা দূষিত পদার্থ বের করে, ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে।

রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে : আয়রনের অভাবে নারীদের প্রায়ই রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। কিশমিশে উচ্চ পরিমাণে আয়রণ রয়েছে যা রক্তকণিকা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। নিয়মিত কিশমিশের পানি পান করলে আয়রনের স্তর ঠিক থাকে ও রক্তশূন্যতা  প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। গরমকালে শরীরে আয়রনের মাত্রা ঠিক রাখা জরুরি কারণ ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন বের হয়ে যায়।

ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য :  কিশমিশের মধ্যে প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট যেমন পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম আছে যা শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য জরুরি। ইলেক্ট্রোলাইট নিয়মিত স্নায়ু কার্যক্রম, মাংশপেশি সঙ্কোচন এবং হাইড্রেশন স্তর নিয়ন্ত্রণ করে। গরমকালে ঘামের কারণে ঝরে যাওয়া ইলেক্ট্রোলাইট পুনরুদ্ধার করার জন্য কিশমিশের পানি পান করুন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন