You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সংস্কৃতির প্রতিপক্ষ, ভেতরে ও বাইরে

ভাষা ছিল বাঙালি সংস্কৃতির ঐক্যের ভিত্তি। ওই ভাষা বিকশিত হয়েছে, বাংলা ভাষায় অতুলনীয় সাহিত্য ও সংগীত রচিত হয়েছে, কিন্তু ভাষা বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেনি। শ্রেণির কারণে। বাঙালি তার ভাষার দ্বারাও বিভক্ত বটে। সেখানে সাম্প্রদায়িকতা ছিল, ছিল আঞ্চলিকতা; সব বাঙালিকে আজও শিক্ষিত করে তোলা সম্ভব হয়নি, শিক্ষিত বাঙালি সবাই বই পড়ে না, উচ্চশিক্ষিতরা চর্চা করে ইংরেজি ভাষার।

পূর্ববঙ্গের রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন্য যে আন্দোলন তার রূপটা ছিল গণতান্ত্রিক, ভেতরের আকাক্সক্ষাটা সমাজতান্ত্রিক। ওই পথে এগিয়ে নতুন রাষ্ট্র এসেছে, যে-রাষ্ট্রের লক্ষ্য গণতন্ত্র তথা সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। ওই লক্ষ্য থেকে রাষ্ট্র ক্রমাগত দূরে সরে গেছে, এবং যাচ্ছে। এমনকি একেবারেই প্রাথমিক দায়িত্ব ছিল যে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা, তাও প্রতিষ্ঠা পায়নি। রাষ্ট্রের এই পিছু হটার জন্য দায়ী ওই মধ্যবিত্তের নেতৃত্ব। এই নেতৃত্ব আদর্শগতভাবে পুঁজিবাদী, যে জন্য অগণতান্ত্রিক ও সমাজতন্ত্রবিরোধী। এই নতুন রাষ্ট্র মধ্যবিত্তের নিজের পক্ষে অর্জন করা অসম্ভব ছিল; কেননা তার দাবি ছিল স্বায়ত্তশাসন, লক্ষ্য ছিল দর-কষাকষি করে সুবিধা বৃদ্ধি; সে যখন স্বাধীনতার কথা বলেছে তখন জনগণের মুক্তির কথা ভাবেনি, ভেবেছে নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধির কথা। মধ্যবিত্তের একাংশ ওই স্বাধীনতা পেয়েও গেছে, তাদের স্ফীতি ঘটেছে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে এবং প্রায় অসম্ভব পরিমাণে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন