You have reached your daily news limit

Please log in to continue


চীন-ভারত-পাকিস্তানের বাড়ছে পারমাণবিক অস্ত্র

ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালের মধ্যরাতে। এরপরই দক্ষিণ এশিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্রের ছায়া পড়তে শুরু করে। চীন পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হয় ১৯৬৪ সালে। এর আগে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত যুদ্ধে জয় পায় দেশটি। এরপর ভারত ও পাকিস্তানও একই পথে হাঁটতে থাকে। ১৯৯৮ সালে দেশ দুইটি পারমাণবিক অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। তারপরও নানা দিক থেকে তিনটি দেশই পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। চীন ১৯৮০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করেনি। ১৯৯৯ সালের গ্রীষ্মে কাশ্মীরের বিতর্কিত অঞ্চল কার্গিল নিয়ে যখন ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধে লিপ্ত হয় তখন থেকেই দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে থাকে। বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে চীন ক্রমেই অস্ত্রের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন শত শত নতুন ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করছে।

২০০৭ সালে পাকিস্তান ৬০তম জন্মদিন পালন করে। তখন দেশটির হাতে পারমাণবিক অস্ত্র ছিল ৬০টি। এখন এই সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। বর্তমানে চীনের হাতে ৩৫০টি, ভারতের কাছে ১৬০টি ও পাকিস্তানের কাছে ১৬৫টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সীমিত কার্যক্রম চালালেও দেশ দুইটির কাছে আলাদাভাবে হাজারের ওপরে বোমাটি রয়েছে। তাছাড়া যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের কাছেও মজুত রয়েছে প্রায় ৫০০।

এ ক্ষেত্রে চীন, পাকিস্তান ও ভারত রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক যুগ আরও পরিণত পর্যায়ে প্রবেশ করছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক কার্নেগি এনডাউমেন্টের অ্যাশলে টেলিসের একটি নতুন প্রতিবেদনে এশিয়ার তিনটি পারমাণবিক শক্তির মধ্যে গতিশীলতা পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে। ১৯৯৮ সাল থেকে বেশিরভাগ পশ্চিমাদেশগুলোর মনোযোগ কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষের ঝুঁকির দিকে ছিল। এখনো দেশগুলোর মধ্যে ব্যাপক অস্ত্র প্রতিযোগিতা রয়েছে। পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভারতে অস্ত্রটি ধীর গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সংখ্যায় এখনো পাকিস্তানের চেয়ে কম রয়েছে। রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র কাউন্টার হামলার কথা মাথায় রেখেই অস্ত্রের ভাণ্ডার ঠিক রাখছে। তাদের অস্ত্রাগার বড়, পরিশীলিত উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পথে হাঁটছে। কিন্তু চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্ত্রের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন