You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এই সংহতিটা যদি ‘কাজের’ সময় তাঁরা শিক্ষার্থীদের সাথে বোধ করতেন!

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গুরুতর পদপ্রশাসকদের বাচ্চাকাচ্চারা কি হলে থাকেন? সাম্প্রতিক বাংলাদেশে দেশে পড়েন? পড়লেও কি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন? পাবলিকে পড়লেও কি হলে থাকেন? হলে থাকবার উৎসাহ দেন তাঁদের অভিভাবকেরা? প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেও হবে না আপনাদের।

সাইবার পর্যালোচনা করলে নিশ্চিত হওয়া যায় না যে ৩৪ বা ৩৫ জন উপাচার্য একযোগে পদত্যাগের হুমকিটা আসলে দিয়েছেন কি না। সম্ভবত গুজবই। কিন্তু এই খবরটা চাউর হবার পর নেটিজেনদের যে প্রতিক্রিয়াগুলো পাওয়া যাচ্ছে, তা একেবারেই জ্যান্ত। মেলা লোকজন খুশি হয়েছেন। সাইবারের ভাষায় যাকে ট্রল করা বলা হয়, তা অজস্র পাওয়া গেছে। লোকজনের এই খুশিকে আমরা কীভাবে দেখতে পারি? কেন এত লোক উপাচার্যদের 'বিদায় ঘোষণাতে' এত খুশি হচ্ছেন? এমনকি তেমন বাস্তবসম্মত কোনো কথা নয়, তাও ভেবে মনের শান্তি নিচ্ছেন কেন লোকজন? কেবল উপাচার্যদের পদের প্রতি ঈর্ষাবশত এই অভিব্যক্তি হওয়া কি সম্ভব?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন