You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ওমিক্রন: শাঁখের করাত

ওমিক্রন নিয়ে আমাদের অবস্থা এখন অনেকটা শাঁখের করাতের মতন। এই লেখাটি যখন লিখতে বসা, তখন বাংলাদেশে একদিনে নতুন কোভিড রোগী শনাক্তের হার বিশ শতাংশ ছাপিয়ে গেছে। দুনিয়া জুড়েই একের পর এক রেকর্ড ভেঙ্গে চলেছে ওমিক্রন। ডেল্টার তাণ্ডবেও যেখানে একদিনে গোটা পৃথিবীতে নতুন রোগীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়েছে কি ছাড়ায় নি, সেখানে এক মার্কিন মুলুকেই একদিনে দশ লাখের বেশি মানুষকে কোভিডে কুপোকাত হতে দেখেছি আমরা এই কদিন আগেই।

ওমিক্রন নিয়ে দু’ ধরনের বিষয় আলোচনায় আসছে। বলা হচ্ছে এটি আপাত দৃষ্টিতে ডেল্টার চেয়ে কম বিধ্বংসী হলেও একটু অসচেতনতায় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের বিপর্যয়। কারণ ওমিক্রন ডেল্টার চেয়ে ঢের বেশি তাড়াতাড়ি ছড়ায়। কাজেই একসাথে অনেক মানুষ একদিনে ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে তাতে হাসপাতালগুলোর উপর চাপ বাড়তে বাধ্য। ডেল্টার সময় আমরা দেশে দেশে আইসিইউ আর শশ্মান-গোরস্থানে যে মিছিল দেখেছি সে জিনিসের পুনরাবৃত্তি ঘটতেই পারে ওমিক্রনের জোয়ারেও। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা দলে দলে আক্রান্ত হয়ে পড়লে একেতো রোগীর চাপ আর অন্যদিকে সেবা দেয়ার জনবল সংকটে ভেঙ্গে পড়তেই পারে স্বাস্থ্যসেবা। এমনটি আমরা রিয়েল টাইমেই আমরা হতে দেখেছি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর যুক্তরাজ্যের মত উন্নততম দেশগুলোতেও, যেখানে সামান্য কোভিড টেস্ট করতেই লেগে যাচ্ছে তিন-চার দিন আর হাসপাতালে শয্যার অভাবে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে দিনের পর দিন হুইল চেয়ারে বসিয়ে। আবার এই ওমিক্রন নিয়েই শোনানো হচ্ছে আশার বাণীও। বলা হচ্ছে ওমিক্রনের মধ্যে দিয়েই হয়তো শেষ হবে কোভিড মহামারি। এরপর রোগটি প্যান্ডেমিক থেকে হয়তো এন্ডেমিকে পরিণত হবে। অর্থাৎ কোথাও কোথাও কিছু কিছু মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হবেন ঠিকই, কিন্তু দুনিয়া জুড়ে সবাই এক সাথে, একভাবে আর বিপদগ্রস্ত হবেন না। এমনটি বলার কারণ, অতীতেও দেখা গেছে প্রথম ওয়েভের পর প্যান্ডেমিকের দ্বিতীয় ওয়েভটি সাধারণত আরো ভয়াবহভাবে আসে, কিন্তু তারপর তৃতীয় ওয়েভে এর সংক্রমণের হার কয়েকগুণ বেড়ে গেলেও, ভিরুলেন্স বা রোগ সৃষ্টির সক্ষমতা কমে আসে। এর কারণ অনেকগুলো। ভাইরাসের বারবার মিউটেশনের কারণে যেমন এরকমটি ঘটতে পারে, তেমনি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে পারে হার্ড ইমিউনিটিরও। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন