নক্ষত্র নিজের আলোয় মহীয়ান। নিজের আলো ছড়িয়ে সে সমগ্র নক্ষত্রজগেক আলোকিত করে। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগের পর আমরা ছিলাম পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দ্বারা নিষ্পেষিত ও নিপীড়িত। আমাদের ছিল না বাকস্বাধীনতা, ছিল না মৌলিক অধিকার এবং চাকরিতে যোগ্যতাভিত্তিক সুযোগ। সব কিছুই নিয়ন্ত্রিত হতো পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ইচ্ছায়। এমন যখন দেশের অবস্থা, ঠিক তখনই বাঙালি জাতির জীবনে আলোকবর্তিকা হয়ে আবির্ভূত হন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সঠিক নেতৃত্বে ও অবিচল লক্ষ্য বাঙালি জাতিকে দিয়েছে একটি স্বাধীন সার্বভৌম ভূখণ্ড। এই শোকাবহ আগস্ট মাসে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সেই অবিসংবাদিত নেতাকে, যিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় পার করেছেন এ দেশের নিপীড়িত মানুষের মুক্তি ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। সংগ্রামের এই দীর্ঘপথ মোটেই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। জীবনের ১২ বছরের বেশি সময় তিনি কাটিয়েছেন জেলহাজতে, ১৮ বার কারারুদ্ধ হয়েছেন, ২৪টি মামলায় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছেন, দুবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। তার পরও তিনি আপস করেননি। কোনো সুবিধা বা লাভের হাতছানি তাঁর সেই চেষ্টা বা উদ্যমকে দমাতে পারেনি। বিপুল সমস্যার আবর্তে পড়ে বিশ্বাস হারাননি তিনি নিজের ওপর, বিশ্বাস হারাননি মানুষের ওপর। কখনো সরে আসেননি শোষণ-বঞ্চনা ও নিপীড়নবিরোধী ভূমিকা থেকে।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
নক্ষত্রের আলোয় পথ হারাবে না বাংলাদেশ
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন