আমাদের দেশে অনেক নিয়ম ও নীতি আছে, কিন্তু জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা কোথাও নেই। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে আরও নেই। এক ধরনের জুলুমতন্ত্র কায়েম হয়েছে হাসপাতালগুলোতে। আর এ জন্য সর্বস্বান্ত হতে হচ্ছে সাধারণ রোগীদের। করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় নানা অনিয়ম আর বিপুল ব্যয়ের সংবাদ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু এর কোনো প্রতিকার হচ্ছে না। শুধু করোনাকালে নয়, এইসব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে আকাশছোঁয়া বিল হামেশাই হয়। কেবল চিকিৎসকের সিদ্ধান্তের ওপরে এই বিশাল খরচ নির্ভর করে না, বেসরকারি হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই এ ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে। সেখানে রোগীকে সুস্থ করার চেয়ে অনেক ক্ষেত্রেই মুনাফা বড় হয়ে ওঠে। চিকিৎসায় প্রচুর অর্থব্যয়ের পরেও অনেক রোগী বাঁচেন না। বাঁচলেও, অনেককেই পরবর্তী সময়েও ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়, অনেককে আবার পরিজনদের ওপর নির্ভর করে জীবন কাটাতে হয়। প্রিয়জনরা যখন রোগীকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান, তখন তারা জানেন না কোন চিকিৎসায় কত খরচ হতে পারে। স্বজনকে বাঁচানোর তাড়নায় তারা সাধারণত হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষকে বলে থাকেন, ‘রোগীকে বাঁচানোর জন্য যা ভালো বোঝেন করুন।’
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
বেসরকারি হাসপাতালে সীমাহীন চিকিৎসা-ব্যয়
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন