ঘূর্ণিঝড় ইয়াস সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা নির্দেশ করেছিল আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেলগুলো মে মাসের ১৩ তারিখে। মে মাসের ২০ তারিখ থেকেই ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টির সকল প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে স্বাভাবিকের চেয়ে একটি বেশি সময় নিয়ে ফেলেছে। এই বেশি সময় নেওয়ার কারণ হলও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আগে সম্ভাবনাময় অবস্থা বা ‘ইনভেস্ট’ নামে থাকা অবস্থায় ঘণ্টায় মাত্র ৪ কিলোমিটার বেগে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। কোনো ঘূর্ণিঝড় যখন খুবই মন্থর গতিতে চলে তখন সেই ঘূর্ণিঝড় এর ভবিষ্যৎ অবস্থা ও তার বৈশিষ্ট্য নিয়ে অনিশ্চয়তার পরিমাণ বেড়ে যায়। ২০২০ সালের ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ ও ২০২১ সালে আরব সাগরে সংগঠিত ঘূর্ণিঝড় ‘তউকতে’ ও বর্তমান ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর গতিপ্রকৃতি নিয়ে আবহাওয়া পূর্বাভাসবিদদের অনেক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করতে হয়েছে।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
ঘুর্ণিঝড়গুলো কেন দিনে দিনে শক্তিশালী হচ্ছে?
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন