করোনা দুর্যোগের প্রভাব সব খাত কাটিয়ে উঠতে পারলেও শিক্ষা খাত পিছিয়ে থাকার পেছনে প্রশাসনের দায় কম নয়। গত বছরের মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কিছু স্তরে সম্ভাব্য পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের ফল নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে অটোপাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরবর্তী শ্রেণিতেও উঠেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম ও পরীক্ষা সম্পন্ন করছে। সে বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে, শুধু পিছিয়ে আছে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে সত্য। কিন্তু অনলাইনে পরীক্ষা না হওয়ায় সেশনজটে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। খুবই আশ্চর্যের বিষয়, অনলাইনে ক্লাস হলে পরীক্ষা কেন হতে পারবে না? এখন ১৪ মাস পর এসে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে!
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
শিক্ষার্থীদের বারোটা বাজানোর কত দেরি
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন