গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরা বাই যেমন গান্ধীকে মহাত্মা করে গড়ে তুলতে আর ভারতের জাতির পিতার আসন অলঙ্কৃত করতে তার জীবনটা গন্ধীর পেছনে উৎসর্গ করেছিলেন ঠিক তেমনি বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবও তিলে তিলে দুঃখ-কষ্ট ভোগ করে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ আর জাতির পিতার আসনে বসাতে অপরিসীম ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘাতকদের হাতে আকস্মিকভাবে নিহত হলে চেষ্টা হয়েছে বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকেও মুছে ফেলার। আল্লাহ-তায়ালা সৎ সন্তানের জন্য প্রার্থনা করতে বলেছেন। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর সব পুত্রসন্তানকে তার সঙ্গে হত্যা করা হয়েছিল, শুধু দুটি কন্যাসন্তান—শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা জার্মানিতে থাকায় বেঁচে গিয়েছিলেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছিলেন, ঢাকায় তার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের পূর্ববর্তী কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে। গত দীর্ঘ চার দশক শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে তার পিতাকে পুনরায় ইতিহাসের যথাস্থানে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে ছেড়েছেন। তিনি প্রকৃতই একজন পিতার সৎ ও যোগ্য কন্যার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ রাখলেন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.