করোনার কারণে গত বছরের ১৮ মার্চ থেকে বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকলেও বছরের শুরুতে ভর্তি এবং নতুন বই পেতে গুনতে হচ্ছে ৪২ খাতের ফি। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে কঠোর নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না কোনো বিদ্যালয়। ম্যানেজিং কমিটি ও প্রধান শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতায় অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন থমকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত বছরের ১৮ নভেম্বর মাউশি মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি ছাড়া আর কোনো ফি নেওয়া যাবে না। যদি অ্যাসাইনমেন্ট, টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ কোনো ফি গ্রহণ করা হয়, তা ফেরত দেওয়া অথবা টিউশন ফির সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.