প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ ছিল প্রায় সাত মাস। এ সময়ে সিনেমাসংশ্লিষ্ট প্রায় সব ক্ষেত্রই ক্ষতির মুখে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হলের মালিক ও প্রযোজকদের। পাশাপাশি বড় রকমের লোকসানের কবলে পড়েছেন প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা প্রদর্শনযন্ত্রে বিনিয়োগকারীরা।
দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার কারণে হলগুলোতে থাকা সিনেমা প্রদর্শনীর ডিজিটাল প্রজেক্টরগুলো ছিল নিষ্ক্রিয়। সাত মাসে এসব যন্ত্রের ভাড়া বাবদ আয় হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে এসব দেখভাল করা কর্মীদের বেতন দিতে হয়েছে যন্ত্রের মালিকদের।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.