কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীনের সরাসরি নির্দেশে সেদিন মধ্যরাতে মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়। তার অধীনস্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নিজেদের ইচ্ছেমতো এই মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করেছে যা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে এই মতামত দিয়েছেন রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।
গত ১৪ মার্চ মধ্যরাতে বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামের বাড়িতে ঢুকে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। ডিসি অফিসে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনের পর প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট বসিয়ে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার বাড়িতে আধা বোতল মদ এবং গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ আনা হয়। এভাবে মধ্যরাতে বাড়ি থেকে একজন সাংবাদিককে ধরে এনে সাজা দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ ঘটনা ফলাও করে প্রচার হলে সরকার রংপুরের বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে তাৎক্ষণিক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। রংপুরের বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু তাহের মো. মাসুদ রানা ঘটনার পুরো তদন্ত শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দাখিল করা প্রতিবেদনে এমন মতামত দিয়েছেন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.