শীতের শুরু মানেই সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ভিড়। যারাই এক বা দু’রাতের জন্য দ্বীপটিতে বেড়াতে যান ‘সমুদ্র বিলাস’-এ ঢুঁ মেরে আসেন। থাকা হোক আর না হোক, দেখে আসতে তো অসুবিধা নেই। এক পর্যটক একবার গিয়ে হয়তো আবারো যাবেন। কিন্তু বাড়ির মালিক হুমায়ূন আহমেদ এখানে আর আসবেন না, পূর্ণিমার জোয়ারে ভেসে যাওয়া সৈকত দেখবেন না। দ্বীপের অনেকেই মনে করেন, হুমায়ূন আহমেদের কারণেই পর্যটকদের নজরে পড়েছে এই দ্বীপ। তার লেখা দারুচিনি দ্বীপসহ বেশ কয়েকটি উপন্যাস পড়ে দলে দলে তরুণেরা ছুটে এসেছেন এই দ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
পর্যটন মৌসুমে প্রায় প্রতিদিনই হুমায়ূনের বাড়ি সমুদ্র বিলাসের সামনে খানিকটা হলেও ভিড় দেখা যায়। হুমায়ূনের উপন্যাসের নামে তৈরি করা কটেজগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন পর্যটকরা। যেতেও সময় লাগে না; জেটিঘাট থেকে রিকশা-ভ্যানে মাত্র ১৫ মিনিটে যাওয়া যায় ‘সমুদ্র বিলাস’।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.