চলছে মহামারি। আমাদের মহামিলনের আগেই যদি মহামারি এসে দাঁড়ায়, তাহলে বাকহারা কে না হয়? প্রতিদিনের রুটিনটি বদলে যায়নি কি? আমারতো গেছে। রাতে ঘুমোনো, ঘুম থেকে ওঠা, সকালের খাবার-দুপুরের খাবার প্রায় এক হয়ে যাওয়া, স্নানের সময় এক্কেবারে পাল্টে যাওয়া-- কোনো কিছুই আগের মতো নেই।
চামড়ার ‘সু’গুলো ময়লা-ঝোলে ব্যবহারেরই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, পাঞ্জাবিগুলোর উপর আলমারি ভেদ করেও ময়লা পড়েছে, শরীরের পরিচর্যা এক্কেবারে শূন্যের কোঠায়, আরও অনেক কিছু। এতো গেল আমার ব্যক্তিজীবন। এটি শুধরে নিতে আমি পারবো।
কিন্তু আমার এতোদিনের পাঠও পাল্টে গেছে: ভাবনাটা এখানেই। দেখুনতো, আপনার সঙ্গে মেলে কি-না! এই পাল্টানোর নায়ক হলো: কোবিড১৯। একে অপনায়কও বলতে পারেন। সেই কবে থেকে শুনে আসছি, দুনিয়ার মজদুর এক হও; গেয়ে আসছি, আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে; দূর থেকে আহ্বান এসেছে, পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথ চেনা; মজুরদরদিরা গেয়ে উঠেছে, দুনিয়ার মজদুর ভাইসব, আয় এক মিছিলে দাঁড়া-- এখন এসব বাণী বা গান, মার্ক্স থেকে অমার্ক্স, রবি ঠাকুর থেকে অরবি ঠাকুর যেই লিখুন না কেন, রীতিমত অচলমুদ্রা।
পথে নামা যাবে না, মিছিলে এক হওয়া যাবে না। আমিও এক সময় লিখেছিলাম যুথবদ্ধ হয়ে পথে নামার আহ্বানসমেত কিছু পঙক্তি। সেগুলো এখন উচ্চারণই করতে চাই না। তাহলে, এতোদিনের পাঠ কি পাল্টে গেল না? এভাবে যদি থাকে কয়েক বছর! সেই পাঠ কি চলবে? কোবিড১৯ আমাদের নতুন করে ভাবতে, বলতে, লিখতে বাধ্য করছে। আজ যদি রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকতেন, তাহলে তিনি কী করতেন? লিখতেন কি: তোরা ঘরে থাক আজ মায়ের ডাকে! মার্ক্সের বইয়ের ওপরে কি লেখা থাকত: দুনিয়ার মজদুর, ঘরে থাক এক হও? ভাবনা আসে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.