কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

প্রশাসনের কেন্দ্র সচিবালয়ের ভেতরেই স্বাস্থ্যবিধি বেহাল

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০১ জুন ২০২০, ০৯:২৯

প্রশাসনের কেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরেই স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি মানা হয়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে ১৩ দফা নির্দেশনা দিয়েছে, তার অন্তত ৭টি সচিবালয়ে মানতে দেখা যায়নি। তবে মাস্ক পরাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রায় সবারই ব্যক্তিগত সতর্কতা ছিল। গতকাল রোববার প্রথম আলোর দুজন প্রতিবেদক সচিবালয় ঘুরে দেখেছেন এসব চিত্র।

খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শৌচাগারগুলোতে সাবান ছিল না। এই অবস্থা স্বাস্থ্য ছাড়াও আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে দেখা গেছে। কিছু শৌচাগারে তরল সাবান রাখার বক্স থাকলেও সেগুলো ছিল ফাঁকা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার রোধে ৬৬ দিন ছুটি থাকার পর গতকাল সচিবালয়সহ সব অফিস খুলেছে। জরুরি কাজের জন্য কয়েকটি মন্ত্রণালয় আগেই খোলা ছিল।

গতকাল খুলেছে সব কটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। তবে সচিবালয়ে সাধারণ দর্শনার্থী প্রবেশে ছিল কড়াকড়ি। সরেজমিন স্বাস্থ্যবিধি মানতে ঢিলেঢালা চিত্র দেখা যায়। মূল প্রবেশপথে জীবাণুমুক্তকরণ টানেল বসানো হয়নি। হ্যান্ড থার্মাল স্ক্যানারে প্রবেশকারীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছিল। তবে কেউ কেউ তাপমাত্রা না মেপেও ঢুকেছেন। সচিবালয়ে লিফটগুলোতে সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, প্রতিটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে অফিসে প্রবেশ করাতে হবে। একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, ঢোকার সময় তাঁদের শরীরের তাপমাত্রা দেখা হয়নি। কর্মস্থলে প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পর জীবাণুমুক্ত করা এবং ঘন ঘন সাবান–পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, ২ নম্বর ভবনের নিচতলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ৩ নম্বর ভবনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাতটি শৌচাগারে সাবান ছিল না। খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি তলার তিনটি শৌচাগার ঘুরেও সাবান বা তরল জীবাণুনাশক পাওয়া যায়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও