কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েড (৪৬) মার্কিন শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে গত সোমবার নির্মমভাবে খুন হন। সেই ঘটনার জেরে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ হচ্ছে।
জানা গেছে, জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভের সময় মিনেসোটা, নিউইয়র্ক এবং আটলান্টায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে।
লস অ্যাঞ্জেলস থেকে শুরু করে নিউইয়র্কেও শুরুর দিকে বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন। তবে সিএনএন-এর প্রধান কার্যালয়ের সামনে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভকারীরা।
এদিকে বিক্ষোভকারীরা জমায়েত হতেই হোয়াইট হাউস লকডাউন করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে মিনেসোটার গভর্নর কারফিউ জারি করেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের জেরে পুলিশ স্টেশনে পেট্রোল ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশ এভাবে কারো সঙ্গে নির্মম আচরণ করতে পারে না। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল কৃষ্ণাঙ্গের ওপর এ ধরনের নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
গতকাল শুক্রবার সকালেও বিক্ষোভ হয়েছে। তবে উল্টো সুরও শোনা যাচ্ছে। কৃষ্ণাঙ্গ নারী সান্ড্রা হিলব্র্যান্ডস বলেন, আমি পুলিশের দ্বারা অনেক সুবিধা পেয়েছি। তাদের কাছ থেকে ভয় পাওয়ার কিছু দেখি না। আমি মনে করি ইস্যুটা নিয়ে মানুষজন বাড়তি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।
মিনেসোটা গভর্নর টিম ওয়ালেজ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাময়িকভাবে কারফিউ জারি করেছেন। সে অনুসারে কেউ রাত ৮ টার পর রাস্তায় বের হলে কিংবা জনপরিসরে থাকলে জেল এবং এক হাজার ডলার জরিমানা করা হতে পারে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.