কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

‘করোনা নিয়ে সরকারের সুচিন্তিত কোনও পরিকল্পনা নেই’

বাংলা ট্রিবিউন প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২০, ১৯:৫৬

করোনা নিয়ে সরকারের সুচিন্তিত কোনও পরিকল্পনা নেই। পরিস্থিতির চাপে পড়ে সরকার হুটহাট করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সরকার করোনা মোকাবিলায় কী নীতি গ্রহণ করেছে, তা প্রকাশ করা উচিত। করোনাভাইরাস মহামারিতে বর্তমান পরিস্থিতির পর্যালোচনা ও করণীয় বিষয়ে নাগরিক সংগঠন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) উদ্যোগে অনলাইন গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।গোলটেবিল বৈঠকটি শনিবার (২৩ মে) সকালে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটিতে আলোচনার সূত্রপাত করেন সুজন-এর নির্বাহী সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।

বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইইডিসিআর-এর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক আহমেদ ও ডা. এম এইচ লেনিন চৌধুরী। বৈঠকটিতে সুজন সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান, সহ-সভাপতি ড. হামিদা হোসেন, সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ  সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, নির্বাহী সদস্য অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, বিশিষ্ট সাংবাদিক  অজয় দাশগুপ্ত ও গোলাম মোর্তজা, ড. আসিফ নজরুল, আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, সততাই হচ্ছে সংকট মোকাবিলায় প্রধান জায়গা।


সংকটের সময় তথ্যের স্বাধীনতা বেশি থাকা দরকার, সেখানে আমাদের এখানে উল্টোটা ঘটছে। আমরা সাধারণ মানুষের জীবনের বিনিময়ে এলিটদের রক্ষা করতে চাচ্ছি। অথচ দরকার ছিল, সবাই যাতে ঘরে থাকতে পারে এজন্য পর্যাপ্ত সহায়তা দেওয়া। সরকার এই দায়িত্ব এড়াতে চাচ্ছে বলে হার্ড ইমিউনিটির মতো নিষ্ঠুর জায়গায় চলে যাচ্ছি। সরকারের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটা সংকট দেখতে পাচ্ছি।ডা. মুশতাক আহমেদ বলেন, মহামারি মোকাবিলার প্রথম শর্ত হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ করার স্বাস্থ্য কাঠামো আছে কিনা, স্বাস্থ্যসেবার  দেওয়ার মতো যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী আছে কিনা সেটা নিশ্চিত করা।

সারাদেশে জালের মতো বিস্তৃত স্বাস্থ্য কাঠামোই মহামারী থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে। বাংলাদেশের মানুষ ধুলাবালি খেয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করেছে, এমন কথার কোনও ভিত্তি নেই। সেটা হলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এতো বাংলাদেশি মারা যেত না, বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্যের অবস্থা খুব খারাপ।ডা. এম এইচ লেনিন চৌধুরী বলেন, আমরা সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা লক্ষ্য করছি, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা থেকে সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি।

যখন নিয়ন্ত্রণ করা সময় তখন সবাইকে বাড়িতে যেতে দেওয়া হচ্ছে, আবার সেখানেও যাদের গাড়ি আছে তাদের জন্য সুবিধা করে দেওয়া। একটা সমন্বয়ের জায়গায় আসতে হবে অন্যথায় আমরা এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।  ড. আসিফ নজরুল বলেন, পরিকল্পনা হতে হয় তথ্যভিত্তিক। আমাদের এখানে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও সম্পূর্ণতা নিয়ে বিরাট প্রশ্ন আছে। দ্বিতীয়ত আমাদের সুচিন্তিত কোনও পরিকল্পনা নেই। পরিস্থিতির চাপে পড়ে সরকার হুটহাট করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা খুবই চিন্তার বিষয়।অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমরা ত্রাণের কথা যত শুনি, চিকিৎসার কথা তত শুনতে পাই না। গণস্বাস্থ্যের কীটের কী অবস্থা আমরা সেটা জানতে চাই।


  নগর পরিকল্পনাবিদ রিয়াজ উদ্দীন বলেন, সরকার করোনা মোকাবিলায় কী নীতি গ্রহণ করেছে সেটা আমরা জানি না। সরকারের উচিত এটা প্রকাশ করা। সামনে শীত আসলে সংক্রমণ আরও ভয়াবহ পর্যায়ে চলে যেতে পারে সেটি বিবেচনায় রাখতে হবে।সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অপরিপক্কতা, অদূরদর্শিতা  ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার কোনও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। সরকার তথ্য প্রকাশ না হওয়ার জন্য অঘোষিত একটা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে বলে মনে হচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও