বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘সমস্যা’ প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘কেহ যখন রিক্তপাত্র লইয়া মাথায় হাত দিয়া ভাবিতে থাকে কেমন করিয়া তাহার পেট ভরিবে তখন তাহাকে এই কথাটি বলিলে তাহার প্রতি হিতৈষিতা প্রকাশ করা হয় না যে, ভালো করিয়া অন্নপান করিলেই ক্ষুধানিবৃত্তি হইয়া থাকে। এই উপদেশের জন্যই সে এতক্ষণ কপালে হাত দিয়া অপেক্ষা করিয়া বসিয়া ছিল না। সত্যকার চিন্তার বিষয় যেটা সেটাকে লঙ্ঘন করিয়া যতবড়ো কথাই বলি-না কেন, তাহা একেবারেই বাজে কথা।’
বাংলাদেশে কভিড-১৯ ইস্যুতে অভিযোগ পার্টি ও সরকারের সম্পর্ক ঠিক এমনই। জাতির ক্রান্তিকালে সরকারকে সহযোগিতা তো দূরের কথা, মানুষের প্রতি সহানুভূতি-সমানুভূতিনা জানিয়ে একের পর এক সমালোচনা করে যাচ্ছেন তারা। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কিন্তু বাজে কথার ফুলঝুড়ি আওড়াননি, নাম সর্বস্ব উদ্যোগও গ্রহণ করেননি। বরং দেশ ও দশের কল্যাণে সত্যিকারের ‘বাস্তব সংকল্প’ নিয়ে ত্রাণকর্তার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত, প্রতি মুহূর্ত। বলার অপেক্ষা রাখে না, করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে মহামারী রূপে ধারণ করলেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এখনও সুদৃঢ় অবস্থায় রয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থাও। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ফোর্বস ম্যাগাজিন দাবি করছে, শঙ্কা থাকা স্বত্ত্বেও বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে করোনার লাগাম টেনে ধরতে পেরেছে সেগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যতম। বাংলাদেশের পাশাপাশি জার্মান, তাইওয়ান, আইসল্যান্ড , নিউজিল্যান্ড, ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের কথা বলা হয়েছে ম্যাগাজিনটিতে।
সেখানে আরো বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, তা এখনো কার্যকর করতে পারেনি যুক্তরাজ্য। ম্যাগাজিনের তথ্য, প্রায় ১৬ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস বাংলাদেশে। সেখানে দুর্যোগ কোন নতুন ঘটনা নয়। আর এই করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করেননি তিনি (শেখ হাসিনা)। তড়িৎ এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম (উই ফোরাম) পুরো বিষয়টিকে ‘প্রশংসনীয়’ বলে উল্লেখ করেছে। তার নেতৃত্বেই সরকারি চাকরিজীবী থেকে কওমী মাদ্রাসা শিক্ষক, গার্মেন্টস কারখানা থেকে ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র কুঠির শিল্প, জাহাজ শ্রমিক থেকে অসহায় দিনমজুর দান-প্রণোদনা থেকে বিরত রাখেননি কাউকেই।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.