ঈদের ১২ দিন আগেও নিস্তব্ধ লঞ্চঘাট, টিকিট কাউন্টারে তালা
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চল তথা বরিশালের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নৌ-পথ। বর্তমানে ঢাকা-বরিশাল নৌ-পথে সরাসরি ও ভায়া রুটের প্রায় অর্ধশত লঞ্চ চলাচল করে। তবে করোনা পরিস্থতির কারণে গত ২৪ মার্চ থেকে সারাদেশের মতোই দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর ও অভ্যন্তরীণ সব রুটে যাত্রীবাহি লঞ্চ চলাচল বন্ধ। করোনার প্রকোপের কারণে এই প্রথমবারের মতো ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষে সরগরম হয়ে উঠবে না নৌ-পথ। যাত্রীদের পদচারণায় উপচে পড়া ভিড় দেখা যাবে না লঞ্চঘাট আর নৌ-যানগুলোতে। মঙ্গলবার (১২ মে) ১৮ রমজান অতিবাহিত হলেও অন্য বছর ঘরে ফেরার যে টিকিট সোনার হরিণ, এবার সেই টিকিটের সন্ধানে কোনো ভিড় নেই। কাউন্টারগুলো তালাবদ্ধ। অথচ অন্যান্য বছর ১৫ রমজানের পর থেকেই টিকিট বুকিং কাউন্টারগুলোতে ঘরে ফিরতে আগ্রহী মানুষজনের উপচে পড়া ভিড়ে টেকা দায় হয়ে যেতো। মঙ্গলবার বরিশাল নদী বন্দরের ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ রুটের ছোট লঞ্চগুলোও ইঞ্জিন বন্ধ করে নিঃস্তব্ধ হয়ে পড়ে আছে। ঘাটে কোয়ারেন্টিন সেন্টারের জন্য প্রস্তুত ঢাকা-বরিশাল রুটের একটি মাত্র লঞ্চ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাকি লঞ্চগুলো যার যার ডকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সে সব লঞ্চের কর্মীদের অনেকেই বাড়ি চলে গেছেন, কেউ লকডাউনের কারণে লঞ্চেই সময় পার করছেন। গত ২৪ মার্চ থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় বরিশাল-ঢাকা রুটের লঞ্চগুলোর টিকিট বুকিং কাউন্টার তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে জানান বিভিন্ন লঞ্চের স্টাফ ও কাউন্টর ম্যানেজাররা।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.