ই শুনছ; তোমার মেয়ে নিয়ে এখন কি করব। তোমার মেয়ে একা একা খায় না তুমি ছাড়া। অথচ এই ডাক্তাররা কোনো ট্রিটমেন্ট দিল না। পুলিশ এত সেবা দিচ্ছে অথচ পুলিশ পরিবার আজ সেবা পাচ্ছে না- আজ বৃহস্পতিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালে মারা যাওয়া স্বামীর লাশের পাশে বসে কাঁদতে কাঁদতে এ অভিযোগ করলেন নড়াইলের নড়াগাতি থানার ওসি রোকসানা খাতুন। যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসক ও নার্সের অবহেলায় তার স্বামী রেলকর্মী আহসানুল ইসলামের (৪৮) মৃত্যুর অভিযোগ করেন তিনি। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমি এত লোকের সেবা করে বেড়াচ্ছি। অথচ শুধু ডাক্তারের অবহেলায় আমার স্বামী মারা গেল। আমার সন্তানরা এতিম হলো। জরুরি রোগীর অক্সিজেন না দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, তারা কিছুই করেনি। তারা ওয়ার্ডে রেখে চলে গেছে। না কোনো ডাক্তার না কোনো আয়া। আমার দুনিয়াডা অন্ধকার করে দিল ডাক্তারদের অবহেলা। তিনি আরো বলেন, আমার ছোট ছোট দুটো বাচ্চা। সে হাসাপাতালে আসতে ভয় পায়। বলছিল, সবাই আমাকে করোনা রোগী ভাববে। আমি বলেছি করোনা রোগী ভাবে ভাবুক তুমি যাও। কয়, ডাক্তাররা আমারে কোথায় ফেলায় রাখবেনে। আমি কই, না ডাক্তাররা ফেলায় রাখবে না। কয়. তুমি ফোন করো ফোন করো। আমি বলে দিছি, তারপরও কোনো ডাক্তার আসেনি। একটি ইমার্জেন্সি রোগীকে আইসিইউতে না নিয়ে কিভাবে ওয়ার্ডে ফেলায় রাখে। ডাক্তার আইছে পরে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.