ই-সিগারেট বা ভ্যাপিং গেজেটের ভেতরে নিকোটিন, প্রোপাইলিন গ্লাইকল অথবা ভেজিটেবল গ্লিসারিন এবং সুগন্ধী মিশ্রিত তরল থাকে। এই তরলটিকে তাপে বাষ্পীভূত করে ধোঁয়ার মতো গ্রহণ করা হয়। সাধারণ তামাকে অনেক ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে যেমন, টার এবং কার্বন মনোক্সাইড। দাবি করা হয়, ই-সিগারেট সে তুলনায় কম ক্ষতিকর। তাছাড়া এ ধরনের গেজেটে নিকোটিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণও করা যায়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.