প্রতীকী ছবি

ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও আমেরিকার পরাজয়

মো. ফরহাদ মিয়াজি
শিক্ষার্থী, অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রকাশিত: ১৩ মে ২০১৮, ১০:৫৪
আপডেট: ১৩ মে ২০১৮, ১০:৫৪

অ্যালান ভিক্টর ওপেনহেইম যুদ্ধের চমৎকার একটি সংজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যুদ্ধ হলো দুই বা ততোধিক শক্তির মধ্যকার পারস্পরিক বিবাদ। এখানে এক পক্ষ অপরপক্ষকে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পরাভূত করার প্রাণপণ চেষ্টা চালায়। ঘটনাচক্রে বিজয় পতাকা যার হাতে আসে, শান্তি এবং সহযোগিতার নামে সে তখন বিজেতার ওপর চাপিয়ে দেয় মনগড়া কতগুলো শর্ত; যা আমরা ভিয়েতনাম যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে উত্তর ভিয়েতনামের আচরণে দেখতে পেয়েছি। বিজয়ীর দেওয়া শর্তের মধ্যে থাকে কতগুলো বাধ্যবাধকাতা, এমনকি নিষ্ঠুরতার সুস্পষ্ট ছাপ।’

যাই হোক মূল কথায় ফিরে আসি। বস্তুতপক্ষে অন্যদের প্রতি ইউরোপবাসীর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ভিন্ন। কয়েক দশক আগেও তারা ভাবত, ইউরোপের বাইরে যারা বসবাস করে তারা সবাই বর্বর ও অসভ্য। পরিকল্পিতভাবেই তাদেরকে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে রাখা হতো। তেমনি একঔপেনিবেশিক শাসনের আওতাধীন ছিল ভিয়েতনাম। ফ্রান্স ভিয়েতনামে নিজেদের ঔপেনিবেশিক শাসন দীর্ঘদিন চালিয়ে যায়। পরবর্তী সময় ১৯৫৪ সালে সমাজতান্ত্রিক রাশিয়া ও চীনের সহায়তায় তারা মুক্তি পায়।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের কারণ:

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার নেতৃত্বে পুঁজিবাদের উত্থান ঘটে। অপরদিকে রাশিয়া ও চীনের নেতৃত্বে কমিউনিজম বা সাম্যবাদের বিকাশ ঘটে। আমেরিকাসহ সকল পুঁজিবাদি দেশগুলো তখন কমিউনিজমের উত্থান রুখে দেওয়ার পক্ষে একজোট ছিল। এর মধ্যেই রাশিয়া তার কমিউনিজম প্রভাব বলয়ের মধ্যে পূর্ব ইউরোপসহ বুলগেরিয়া এবং জার্মানিকে টেনে আনতে সক্ষম হয়। অপরদিকে চীন ও কোরিয়াসহ এশিয়ার বেশ কিছু অংশে রাশিয়া তার প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। পুঁজিবাদী আমেরিকা ও তার পশ্চিমা সহযোগীরা কমিউনিজমকে বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী গণতন্ত্র ও পুঁজিবাদের বিকাশের হুমকিস্বরূপ মনে করে।

১৯৪৯ সালে মাও সে তুং-এর হাত ধরে চীনে কমিউনিস্ট নেতৃত্বে আসে। আবার কোরিয়া যুদ্ধে ১৯৫০ সাল থেকে আমেরিকা দক্ষিণ কোরিয়াকে সহায়তা করে আসছিল, যাতে করে এই অঞ্চলে কমিউনিস্টদের উত্থান ঘটতে না পারে। এর পাশাপাশি ফ্রান্সের উপনিবেশ শাসনের আওতাধীন ইন্দো-চীন বলয়ের দেশগুলোতে যাতে কমিউনিজম সমর্থিত সরকার না আসতে পারে এই লক্ষ্যেও আমেরিকা ফ্রান্সকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছিল।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ভিয়েতনাম ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক শাসনের আওতাভুক্ত ছিল। পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ভিয়েতনামকে দখল করে। যখন জাপান যুদ্ধে কিছুটা পিছু হটে তখন ভিয়েতনামের জনগণ হো চি মিনের নেতৃত্বে তাদের পছন্দের সরকারকে ক্ষমতায় বসায়। যুদ্ধ শেষে হো চি মিনকে আবার ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং ফ্রান্সের নেতৃত্বে ভিয়েতনামে আবার উপনিবেশ স্থাপন করে। ওই সময় বাও ডাইকে ক্ষমতায় বসানো হয়। রাশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপ বাও ডাইয়ের শাসনকে প্রত্যাখ্যান করে এবং তারা হো চি মিনকে দেশের প্রকৃত শাসক বলে মনে করে। আমেরিকার সামরিক সহায়তার মধ্যেও ফ্রান্সকে এই সময়ে অনেক আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে ভিয়েত মিনের (viet minh) গেরিলা আক্রমণের সম্মুখীন হতে হয়। পরবর্তী সময় ১৯৪৯ সালে যখন চীনে মাও সে তুংয়ের নেতৃত্বে কম্যুনিস্ট সরকার আসে তখন থেকে চীন ভিয়েত মিন গেরিলাদের সরাসরি সাহায্য করতে শুরু করে। গেরিলারা ফ্রান্সকে বিভিন্নভাবে আক্রমণ করতে থাকে।

১৯৫৩ সালের নভেম্বরে ফ্রান্স তাদের প্যারাসুট রেজিমেন্টকে ভিয়েতনামে পাঠায় এবং অপ্রশিক্ষিত ভিয়েত মিন গেরিলাদের খুব সহজে পরাজিত করে। এরপর উত্তরে দিয়েন বিয়েন পু তে তাদেরকে পাঠানো হয়। ১৯৫৪ সালে তাদেরকে উত্তর ভিয়েতনামের সৈন্যরা আক্রমণ করে পরাজিত করে এবং তারা আত্মসমর্পণ করে। এর মধ্যে দিয়ে ফ্রান্স তার ভিয়েতনাম অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করে।

ভিয়েতনাম বিষয়ে আলোচনার জন্য ১৯৫৪ সালের এপ্রিলে জেনেভাতে কনফারেন্সের আয়োজন করা হয় এবং জুলাই মাসে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, ভিয়েতনামকে সাময়িকভাবে দুইভাগে বিভক্ত করা হবে; যা বাও ডাইয়ের নেতৃত্বে দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকার গঠিত হবে এবং হো চি মিনের নেতৃত্বে উত্তর ভিয়েতনাম গঠিত হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ১৯৫৬ সালে উভয় ভিয়েতনামে এক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে যে জয়লাভ করবে সে উভয় ভিয়েতনামকে একত্রীকরণের মধ্য দিয়ে শাসন করবে। আবার বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে নিরপেক্ষ কোনো দেশ। পরবর্তীতে আর নির্বাচন হয়নি। ফলে স্থায়ীভাবে ভাগ হয়ে যায় ভিয়েতনাম।

প্রধান উত্তর ভিয়েতনামের জনসংখ্যা প্রায় ১৬ মিলিয়ন। অপরদিকে দক্ষিণ ভিয়েতনামের জনসংখ্যাও ১৬ মিলিয়ন। ভিয়েত মিনের প্রশিক্ষিত সদস্যরা তখন দক্ষিণ ভিয়েতনামে গিয়ে সাধারণ মানুষদের মাঝে কমুনিজমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং তাদের কৃষিকাজে বিভিন্নভাবে সাহায্য করেন। এর প্রভাব সাধারণ মানুষের মাঝে পড়তে শুরু করে।

উগ্র ক্যাথলিক নাও ধিন দিয়েম (Ngo Dinh Diem) হচ্ছেন দক্ষিণ ভিয়েতনামের প্রথম প্রকৃত শাসক। যেহেতু কম্যুনিস্টরা ধর্মকে ঘৃণা করত, তাই সকল কম্যুনিস্ট দেশগুলো তাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে। তখন আমেরিকা দিয়েমকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। যদিও তার বিরুদ্ধে চরমভাবে মানবাধিকার খর্ব হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

‘Domino Theory’ অনুসারে যে সব দেশ কম্যুনিস্টদের বিরুদ্ধে যাবে, তাদের দিকেই আমেরিকা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবে। চরম স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিবাজ এই সরকারকে আমেরিকা তার সাহায্য অব্যাহত রাখে, যা যুদ্ধকে তরান্বিত করে।

১৯৫৬ সালে নির্বাচন না হওয়ার কারণে ভিয়েত মিন (viet minh) গেরিলারা যুদ্ধের জন্য সক্রিয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ইতোমধ্যে ভিয়েত মিন নাম পরিবর্তন করে নতুনভাবে রাখা হয় ভিয়েত কং নামে (Viet Cong)। তারা আগের থেকেও অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা দক্ষিণ ভিয়েতনামে ছোট ছোট আক্রমণ শুরু করে। তারা হো চি মিনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ১০০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে লাওস-এর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সীমান্তে কমান্ডার গিয়াপের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ শিবির চালু করে। কমান্ডার গিয়াপ তাদের যুদ্ধের বিভিন্ন কৌশল শিক্ষা দেন।

এই যুদ্ধে আমেরিকা ভয়াবহ রকমের ক্ষতির সম্মুখীন হয়, যা তাদের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। ভবিষ্যতের ক্ষতির কথা চিন্তা করে ‘Paris Peace Accords Act’-এর আওতায় ২৯মার্চ, ১৯৭৩ সালে আমেরিকা ভিয়েতনাম ত্যাগ করে।

আর এই সুযোগে দক্ষিণ ভিয়েতনামে আক্রমণের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। ১৯৭৫ সালে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে দক্ষিণ ভিয়েতনাম শব্দটি চিরদিনের জন্য মুছে ফেলা হয়।

যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ও প্রভাব:

অন্য যুদ্ধের মতো ভিয়েতনাম যুদ্ধেও অনেক ক্ষতি ও ধ্বংস হয়। এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দুই মিলিয়নের বেশি মানুষ মারা যায়। এর মধ্যে অনেক নিরপরাধ নারী ও শিশু রয়েছে এবং তিন মিলিয়নের বেশি মানুষ আহত হয়। যুদ্ধে উভয় ভিয়েতনাম ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। এই যুদ্ধে শুধু আমেরিকার ৩৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয় যার বর্তমানে দাঁড়ায় ১৮৫০বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা পরে আমেরিকার ভোটাভুটির রাজনীতিতে বড় ধরনের ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়।

১৯৬৫ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে আমেরিকার বিমান বাহিনীর সদস্যরা ভিয়েতনামে ৮ মিলিয়ন টন বোমা নিক্ষেপ করে। আমেরিকার সৈন্যরা Operation Linebacker IILasting (18-29 December,1972)-এর মাধ্যমে উত্তর ভিয়েতনামের মূল অবকাঠামো ধ্বংস করে ফেলে। আমেরিকার সৈন্যরা ১৯৬২-১৯৭১ সালের মধ্যে শুধু দক্ষিণ ভিয়েতনামে ২০ মিলিয়ন গ্যালন হারবিসাইডস (Herbicides-এক ধরনের রাসায়নিক) ব্যবহার করে। যাতে করে দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাজধানী সেইগনের উত্তরে এবং লাওস ও কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায়  ঘন গাছপালা ধ্বংস করে খুব সহজেই ভিয়েত কং (Viet Cong-National Liberation Front) গেরিলাদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা যায়।

শুধু ১৯৬৯ সালেই ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৩০০ হেক্টর বনভূমি ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া এই যুদ্ধে আমেরিকা ‘এজেন্ট অরেঞ্জ’ নামে এক ধরনের রাসায়নিক পর্দাথ ব্যবহার করে। এজেন্ট অরেঞ্জ হচ্ছে এমন এক ধ্বংসাত্মক রাসায়নিক পদার্থ যার ক্ষতিকর প্রভাব শুধু প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থানে পড়ে না, বরং মানব জীবনেও রয়েছে এর ভয়ঙ্কর প্রভাব। ভিয়েতনামে এখনো অনেক শিশু আজন্ম খোঁড়া, অন্ধ এবং ত্বকের মারাত্মক রোগ নিয়ে জন্মাচ্ছে।

দক্ষিণ ভিয়েতনামের পতনের পর থেকে কম্যুনিস্ট সরকার এখানে তাদের তথাকথিত ‘Re-education’ প্রোগ্রাম এবং অর্থনৈতিক অবস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ‘New Economic Zone’ চালু করে। ফলে সাধারণ মানুষকে কাজের জন্য অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা হয়। তাদের এই অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগে উভয় দিকে তাদের বিরুদ্ধে জনগণ ঘৃণার আগুন ছড়াতে থাকে। চাপ সহ্য করতে না পেরে অনেকেই দক্ষিণ ভিয়েতনামের এসব ক্যাম্প থেকে পালায়ন করে অন্যদেশে উদ্বাস্তুর মতো জীবনযাপন করে। আবার অনেকেই সমুদ্র পথে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডুবে মারা যায়। এভাবে সমুদ্র পার হতে গিয়ে তিন থেকে চার লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। আজ ভিয়েতনাম স্বাধীনতার এত দশক পরেও উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়, কম্যুনিস্ট শাসনে ক্ষমতাসীনদের ভাগ্য বদলালেও তাদের অভাগা জনগণের ভাগ্য আর বদলায় না।

যুদ্ধে উত্তর ভিয়েতনামের ১১ লাখ ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের দুই থেকে তিন লাখ সৈন্য মারা যায়। ৫৮ হাজার ২০০ আমেরিকার সৈন্য, দক্ষিণ কোরিয়ার ৪,০০০, অস্ট্রেলিয়ার ৫০০, থাইল্যান্ডের ৩৫০ এবং নিউজিল্যান্ডের তিন ডজনের মতো সৈন্য মারা যায়। যুদ্ধ শেষ হলেও ভিয়েতনামের সাত লাখ সৈন্য দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় ভোগে।

এটাই ছিল আমেরিকার একমাত্র পরাজয় বরণ করা যুদ্ধ, এই যুদ্ধে আমেরিকার সৈন্যদের ব্যাপক আকারে মনোবল ভেঙে পড়ে। দেড় লাখ যুদ্ধাহত সৈনিক দীর্ঘদিন কষ্ট বয়ে বেড়ায়। অবশেষে ১৯৯৫ সাল থেকে পুনরায় ভিয়েতনামের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রের।

পক্ষান্তরে, উত্তর ভিয়েতনাম এই যুদ্ধের মাধ্যমে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে পারলেও জীবন ও সম্পদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কোনো দিন পূরণ হয়নি। এখনো কৃষি জমিতে স্থল মাইন পাওয়া যায়। হাজার হাজার একর জমি অনাবাদি পড়ে আছে রাসায়নিক বোমার বিরূপ প্রতিক্রিয়ায়। অথচ যেখান থেকে একদিন সোনার ফসল নিয়ে কৃষক বাড়ি ফিরত, একসময় মাতৃগর্ভ থেকে চাঁদের মতো ফুটফুটে বাচ্চা বেড়িয়ে আসতো। আজ হয়তোবা সেখান থেকে আজন্ম খোঁড়া অথবা জন্মান্ধ অথবা অন্য কোনো মহামারী নিয়ে মানবজাতির বোঝা হয়ে এই ধরণীর বক্ষে আসতে হচ্ছে তাদের।

[প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। প্রিয়.কম লেখকের মতাদর্শ ও লেখার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত মতামতের সঙ্গে প্রিয়.কমের সম্পাদকীয় নীতির মিল না-ও থাকতে পারে।]