সমুদ্র থেকে তৈঙ্গা পাহাড়। ছবি: সংগৃহীত।
প্রিয় গন্তব্য: তৈঙ্গা চূড়া, ঝর্ণা এবং ঝিরি
প্রকাশিত: ২১ মে ২০১৭, ২২:৩২
আপডেট: ২১ মে ২০১৭, ২২:৩২
আপডেট: ২১ মে ২০১৭, ২২:৩২
(প্রিয়.কম): টেকনাফে আছে দেশের অন্যতম গেম রিজার্ভ, আর এর ভেতরে আছে নানা রকম বুনো আকর্ষণ। বন্যপ্রাণী, রহস্যময় গুহা এবং আরও রয়েছে ঝর্ণা ও ঝিরিপথ। টেকনাফ গেম রিজার্ভে আরও রয়েছে কুঠি বা ভঙ্গিল পাহাড় আর কুঠির আনুমানিক ২০০ ফুট পশ্চিমে প্রবাহিত হয় তৈঙ্গাঝিরি৷ ঝিরির পানি স্ফটিক স্বচ্ছ এবং জলজ প্রাণী-বৈচিত্র্যে ভরপুর৷ প্রায় ৭০০ ফুট উচ্চতা থেকে শিলাময় পাহাড়ের ধাপে ধাপে এই ঝরনা ক্রমান্বয়ে ঝিরিপথ ধরে প্রবাহিত হয়েছে৷ ঝিরির পানি বন্যপ্রাণীদের জলের প্রয়োজন মেটায়৷
কোথায়: কক্সবাজার শহর থেকে ৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং টেকনাফ থেকে উত্তর দিকে ১৫ কিলোমিটার দূরত্বে দমদমিয়া এলাকায় মুছনী গ্রামে অবস্থিত টেকনাফ গেম রিজার্ভ এর ভেতরেই কুঠি পাহাড় এবং তৈঙ্গা ঝিরি। এ বনের আশপাশে রাখাইন, মারমা ও চাকমা আদিবাসীদের বসবাস। এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম সংরক্ষিত বনাঞ্চল। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন জুড়ে এর বিস্তার; এ ইউনিয়ন গুলো হল - বাহারছড়া, হ্নীলা, সুবরাং, টেকনাফ এবং হোয়াইক্যং। কক্সবাজার (দক্ষিণ) বন বিভাগের তিনটি ফরেস্ট রেঞ্জ: হোয়াইখিয়ং, শীলখালী এবং টেকনাফ এর ১০ টি ব্লক এ গেম রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত। এই গেম রিজার্ভের পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নাফ নদী; এর ঠিক পরপরই মায়ানমার সীমান্ত এবং পশ্চিম দিকে বঙ্গোপসাগর।

পাহাড় চুড়া থেকে দেখা যাবে সূর্যাস্ত। ছবি: সংগৃহীত।
কীভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সরাসরি টেকনাফের বাসে এসে নামতে হবে হোয়াইখিয়ং বাজার। সেখান থেকে গেম রিজার্ভের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের জন্য জিপ ভাড়া পাওয়া যাবে, তাই যেতে বেশি কষ্ট হবে না। ঢাকা থেকে সরাসরি টেকনাফ যায় সেন্টমার্টিন পরিবহন, শ্যামলী পরিবহনের এসি বাস যায়, ভাড়া ১২০০-১৫০০ টাকা। এ ছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, এস আলম, সৌদিয়া পরিবহন ইত্যাদি পরিবহন সংস্থার নন এসি বাসও চলে এ পথে। ভাড়া ৯০০ - ১১০০ টাকা। এ ছাড়া সড়কপথে ও আকাশ পথে সরাসরি কক্সবাজার এসে সেখান থেকেও সহজেই আসা যায় হোয়াইখিয়ং বাজার। কক্সবাজার আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থেকে প্রতি ঘণ্টায় টেকনাফের বাস ছাড়ে। এসব বাসে হোয়াইখিয়ং বাজারের ভাড়া ৬০-৮০ টাকা। হোয়াইখিয়ং বাজার থেকে শাপলাপুর অভিমুখে ৪ কিলোমিটার যাবার পর বাম দিকে গেলে পাহাড়ি ঝিরিপথ। ভেতরে যাবার আগে অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত বন বিভাগের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে অনুমতি নিয়ে নিতে হবে।
সম্পাদনা: ড. জিনিয়া রহমান।
আপনাদের মতামত জানাতে ই-মেইল করতে পারেন [email protected] এই ঠিকানায়।
৫ ঘণ্টা, ৫৩ মিনিট আগে
৫ ঘণ্টা, ৫৮ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ১০ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ১৩ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ১৪ মিনিট আগে