ছবি সংগৃহীত

এমএলএম ব্যবসা বন্ধের প্রভাব পড়েছে কম্পিউটার সোর্সে: খান জুয়েল

এম. মিজানুর রহমান সোহেল
জেষ্ঠ্য প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০১৭, ০৯:০৩
আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৭, ০৯:০৩

এ ইউ খান জুয়েল। ছবি: প্রিয়.কম। 

(প্রিয়.কম) ১৯৯৩ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্পিউটার সামগ্রী বাজারজাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করে কম্পিউটার সোর্স। প্রায় তিন দশক ধরে ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক দফায় বিভিন্ন কারণে ব্যবসায় প্রভাব পড়লেও ২০১২ সালের পর থেকে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নিজেদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পাশাপাশি গত এক বছরেই অন্তত দুই শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করেছে তারা। প্রিয়.কম-এর কাছে এসব বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করেছেন কম্পিউটার সোর্সের পরিচালক (ডিস্ট্রিবিউশন সেলস) এ ইউ খান জুয়েল। 

প্রিয়.কম: কম্পিউটার সোর্স ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে আমরা খবর পাচ্ছি। নেপথ্যের ঘটনা জানতে চাই। 

এ ইউ খান জুয়েল: আসলে প্রত্যেকটি ব্যবসার তো উত্থান পতন আছে। এই কম্পিউটার ব্যবসা আমাদের রক্তের সাথে মিশে গেছে। আমরা চাইলেই এখান থেকে সরে আসতে পারবো না। এই মুহূর্তে আমরা অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছি। এর মূল কারণ আমরা নিজেরাই। ২০১২ সালের দিকে বাংলাদেশে প্রচুর মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি (এমএলএম) বের হয়েছিল। যুবক, ডেসটিনি, ইউনিপের মতো এমএলএম কোম্পানি আসার কারণে আমাদের বিক্রি অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। আমাদের ট্র্যাকের বাইরে অবিশ্বাস্যভাবে এই বিক্রি প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি হচ্ছিল। ফলে আমরা অনেক বেশি ল্যাপটপ স্টক করলাম। এরপর হঠাৎ করে এমএলএম ব্যবসা বন্ধ হতে শুরু করলো। আমাদের ব্যবসাও পড়তে শুরু করলো। তখন আমরা দেখতে পেলাম এমএলএম কোম্পানির মানুষগুলোর কাছে যেসব ল্যাপটপ ছিল তারা ৪০ হাজার টাকার ল্যাপটপ ২০ হাজার টাকায় আমাদের ডিলারদের কাছে বিক্রি শুরু করে দিলো। এরপর আমাদের মার্কেটের অবস্থা অ্যাবনরমাল হয়ে গেল।

প্রিয়.কম: আপনি কী বলতে চাইছেন এমএলএম ব্যবসার কারণেই কম্পিউটার সোর্সে প্রভাব পড়েছে?

এ ইউ খান জুয়েল: এমএলএম ব্যবসার কারণে নয়; এমএলএম ব্যবসা বন্ধ হওয়ার কারণে আমাদের ব্যবসায় খুব নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। 

প্রিয়.কম: যেই প্রোডাক্ট স্টকে ছিল সেটা পরে কী করেছিলেন? 

এ ইউ খান জুয়েল: আপনি যদি আমাদের আগের বিজ্ঞাপন দেখে থাকেন তাহলে জেনে থাকবেন, আমাদের এই ব্যবসায় প্রভাব পড়ার কারণে আমরা অনলাইনে অদল-বদল অফার নামের একটি সাইট খুলেছিলাম। সেখানে আমরা এসব প্রোডাক্ট অল্প দামে দিয়েছিলাম। ৩৩ হাজার টাকার ল্যাপটপ তখন আমরা দিলাম ২২ হাজার টাকায়। এখানে আমাদের অনেক চাপ গেছে।

প্রিয়.কম: আমরা খবর পেলাম আপনারা ব্যাংক ঋণ নিয়েছিলেন কম্পিউটার ব্যবসার জন্য। কিন্তু সেই টাকায় আপনারা টাঙ্গাইল এবং কক্সবাজারে প্রচুর জমি কিনেছেন। এসব কারণেই ব্যাংক আপনাদের আর কোনো লেনদেন করতে দিচ্ছে না।

এ ইউ খান জুয়েল: ব্যবসা করতে গেলে কেউই লোন ছাড়া করতে পারে না। আর আমরা আমাদের ব্যবসা থেকেই যে আয় করেছি সেই টাকা দিয়ে সম্পত্তি ক্রয় করেছি। তা না হলে এত বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কীভাবে বানালাম? গত ২৩/২৪ বছর ধরে ব্যবসা করে যে উদ্বৃত্ত টাকা ছিল সেখান থেকেই এই সম্পত্তি করেছি। এটা অনেকেই করে। এর মাধ্যমে আমাদের স্ট্রং বেইজ তৈরি করবে। যখন ব্যবসা খারাপ হয় তখন অনেকেই ভয় পায়। ব্যাংকগুলোও এর বাইরে নয়। আমাদের দুই একটি অফিস বন্ধ হওয়ার পর মার্কেটে গুজব বৃদ্ধি পেয়েছে। 

প্রিয়.কম: সে ক্ষেত্রে আপনাদের এই সম্পত্তিগুলো কী শিগগির বিক্রি করে দেওয়ার সম্ভাবনা আছে? 

এ ইউ খান জুয়েল: দেখুন আপনি যেই বিল্ডিং-এ এসেছেন এখানে আমাদের যতগুলো অফিস আছে তার সবই কেনা। আমাদের সার্ভিস সেন্টারগুলো আমাদের কিনে নেওয়া। আমাদের আইডিবি, মিরপুর, আল্পনা প্লাজা, চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, সিলেট ব্রাঞ্চ কিনে নেওয়া। আসলে এসব ব্যবসায় অফিস কেনা ঠিক হয়নি। এখানে নগদ টাকা থাকলে ভাল হতো। আমাদের এসব সম্পত্তি ক্রয় করার কারণে নগদ টাকা কমে গেছে। আমাদের প্রথমে মনে হয়েছিল সম্পত্তি ক্রয় করা মানেই বড় গেইম করা। কারণ দ্রুত এসবের দাম বৃদ্ধি পায়। কিন্তু গত চার বছরে আমরা এটা দেখছি না। আমরা যদি আগের দামেও এই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারতাম তাহলে বিক্রি করে ব্যবসা রান করাতে পারতাম। সেটাও করতে পারছি না। 

প্রিয়.কম: আপনি কী বলতে চাইছেন, এই সম্পদ কেনা আপনাদের জন্য গলার কাটা হয়ে গেছে?

এ ইউ খান জুয়েল: হ্যাঁ। তা ঠিক বলেছেন। এসব সম্পত্তি আমাদের না কিনলেও চলতো। আমাদের কম্পিউটার ব্যবসা এমন একটা ব্যবসা, আমরা যদি মাল্টিপ্ল্যানের ১২ তলাতেও একটি শো-রুম নিয়ে বসি তবুও সেখানে এই ব্যবসা চলবে।

প্রিয়.কম: আপনাদের এখন কতগুলো ব্রাঞ্চ চালু আছে? 

এ ইউ খান জুয়েল: আমাদের মোট ৪৭টি ব্রাঞ্চ ছিল। এর মধ্যে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম (পাঁচটার মধ্যে ৩টা বন্ধ), ফেনীসহ ২৫টি ব্রাঞ্চ বন্ধ হয়েছে। এখন আমাদের ২২টি ব্রাঞ্চ চালু আছে; এগুলো হচ্ছে ঢাকায় কেবি স্কয়ার (সাত মসজিদ রোড), আইডিবি, মিরপুর (দুটি), মতিঝিল, গুলশান, ধানমন্ডি-২৭, বসুন্ধরা সিটি, আল্পনা প্লাজা, মাল্টিপ্ল্যান (দুটি), উত্তরা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, বগুড়া, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম (দুটি), রাজশাহী। 

প্রিয়.কম: আপনাদের তাহলে ইতিমধ্যে অর্ধেক ব্রাঞ্চই বন্ধ হয়ে গেছে।

এ ইউ খান জুয়েল: অর্ধেক বন্ধ হয়েছে ঠিক আছে কিন্তু দেখুন আমাদের গুলশানে দুটি অফিস ছিল বা উত্তরায় দুটি অফিস ছিল এমন আরও কিছু অফিস আমাদের ছিল। তবে কিছু অফিস আমাদের কেবি স্কয়ারে (ধানমন্ডিতে) নিয়ে এসেছি। সব কর্পোরেট অফিস একত্রিত করেছি। 

প্রিয়.কম: এখন আপনাদের যে সেলস সেন্টার রয়েছে, আগামী দিনে কী এগুলোও বন্ধ করে দেবেন? 

এ ইউ খান জুয়েল: ২০১২ সালে এমএলএম ব্যবসা দেখে আমাদের মনে হয়েছিল ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে কম্পিউটার ব্যবসার গ্রোথ ডাবল হবে। সে অনুযায়ী আমরা প্ল্যান করেছিলাম। মিরপুরে স্মার্ট টেকনোলজিসের যে সার্ভিস সেন্টার রয়েছে সেখানে তাদের পাঁচ জন লোক ছিল। তারা ওখানে শুধু প্রোডাক্ট রিসিভ করতো আর ডেলিভারি দিতো। ঠিক একই জায়গায় আমাদের সার্ভিস সেন্টারের জন্য ৪৫ জন কর্মী কাজ করতো। তারা ওখান থেকেই সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করতো। আমরা একইভাবে পুরো চট্টগ্রামকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পাঁচটি অফিস করেছিলাম। আমাদের মনে হয়েছিল একেকটা জোন হয়ে উঠবে একেকটা বড় কম্পিউটার মার্কেট। কিন্তু এমএলএম কোম্পানিগুলোর কারণে এসব পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

কম্পিউটার সোর্সের অফিস। ছবি: প্রিয়.কম। 

প্রিয়.কম: আপনাদের খুলনা, বরিশাল, যশোর ও ময়মনসিংহ অফিসে হামলা হয়েছিল। এর কারণ কী ছিল? 

এ ইউ খান জুয়েল: এটাকে সরাসরি হামলা বলা চলে না। তবে আমাদের বিজনেস পার্টনারদের পক্ষ থেকে আমাদের ওপর একটি চাপ আছে। তারা বলেছে ডিস্ট্রিবিউটররা রিটেইল ব্যবসা করতে পারবে না। তারা আমাদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে, মানববন্ধন করেছে। তাদের সাথে আলোচনা করে কয়েকটি জেলায় রিটেইল ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছি। এছাড়া আমরা চিন্তা করেছি ডিস্ট্রিবিউশন এবং রিটেইল দুটাই করবো কিন্তু দুইটার রেট ভিন্ন হবে। এদিকে মাল্টিপ্লানে আমাদের রিটেইল ব্যবসার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। তবে আমাদের বলা হয়েছিল আপনারা রিটেইল ব্যবসা করতে পারবেন; কিন্তু সেটা অন্য নাম দিয়ে করতে হবে। আমরা সেখানে অন্যনামে দুটি শো-রুম নিয়ে রিটেইল ব্যবসা করছি।

প্রিয়.কম: আপনারা রিটেইল ব্যবসা করলে খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তারা এ জন্য আন্দোলনও করছে। আগামীতে আপনারা রিটেইলে থাকবেন নাকি সেখান থেকে সরে আসবেন?

এ ইউ খান জুয়েল: দেখুন আমাদের ইম্পোর্ট ভলিউম কমছে। আবার এখন যদি আমরা রিটেইল ব্যবসা বন্ধ করে দেই তাহলে বলতে হয় বাংলাদেশে কোনো ইম্পোর্টারই ব্যবসা করতে পারবে না। ধরুন আইডিবিতে ‘বাইনারি লজিক’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান আছে। তারা সমস্ত গেমিং প্রোডাক্ট বিক্রি করে। তারা হাইএন্ডের ডেস্কটপ বিক্রি করে। ওদের যদি বলে আপনি ইম্পোর্ট করেন আপনাকে রিটেইল ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না; তাহলে কাল থেকে তাঁর এক টাকাও বিক্রি হবে না। আমাদের নিয়ে এত আলোচনা হয় কারণ আমরা ২০০৮ সাল থেকে কম্পিউটার ব্যবসায় লিডিং পর্যায়ে ছিলাম। ২০১৪ সালে এসে আমরা নিচের দিকে নামতে থাকি এবং ২০১৭ সালে আমরা মনে করি এখন ৪ নম্বর অবস্থানে আছি। আমাদের আগে স্মার্ট, গ্লোবাল এবং ফ্লোরা রয়েছে। তবে আমাদের সলিউশন এবং কর্পোরেট ডিল এখনও ভাল অবস্থানে রয়েছে। আমরা রিটেইলে ব্যবসা করলে ক্যাশ করতে পারি কিন্তু কর্পোরেটে যে ব্যবসা করা হচ্ছে সেখানে এখনও আমাদের ১৪০ কোটি টাকা বাকি পড়ে আছে। 

প্রিয়.কম: এমএলএম ব্যবসা করার আগেও তো আপনারা প্রথম সারিতে ছিলেন। এখন দিন যতই যাচ্ছে আপনারা ততই পিছিয়ে পড়ছেন কেন?

এ ইউ খান জুয়েল: আপনাকে তো আগেই বলেছি ব্যবসায় উত্থান পতন থাকবেই। তবে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করছি। তবে পৃথিবী যেমন সত্য তেমনি সত্য হচ্ছে কম্পিউটার সোর্স বন্ধ করার মতো অবস্থা তৈরি হয়নি। আমাদের এখন যে খারাপ সময় যাচ্ছে তা খুব শিগগির সমাধান হয়ে যাবে আশা করছি। 

প্রিয়.কম: সে ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধানের জন্য আপনারা কী ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন? 

এ ইউ খান জুয়েল: একটি প্রোডাক্টের মাল্টি-ডিস্ট্রিবিউশন থাকলে সে প্রোডাক্টের ব্যবসায় লোকসান হয়। ওই জায়গায় আমাদের সমস্যা হচ্ছে। আমরা আগামীদিনে মাল্টি-ডিস্ট্রিবিউশন প্রোডাক্ট কম করবো। আমাদের যেসব প্রোডাক্ট এক্সক্লুসিভ রয়েছে সেসব প্রোডাক্টে আমরা গুরুত্ব দিবো বেশি। একই সাথে নতুন প্রোডাক্ট সোর্সিং করে সেগুলোর ওপর আমরা গুরুত্ব দিতে চাই। আমাদের গ্রোথ বৃদ্ধি হবে বলে যে আশা করেছিলাম সেটা হয়নি। ফলে এখন সেগুলো সংক্ষিপ্ত করছি। আমাদের কিছু কর্মী ছাঁটাই করতে হয়েছে। আপনি দেখেছেন গ্রামীণফোন বা বাংলালিংকও কনজারভেটিভ হয়েছে। তাতে কি তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে? আইটির সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড ইন্টেল ২৪ হাজার লোক ছাঁটাই করেছে। মাইক্রোসফট ৩০ হাজার লোক ছাঁটাই করেছে। 

প্রিয়.কম: আপনারা হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী। এখন ‘ইনফোটেক’ নামের একটি সফটওয়্যার কোম্পানি করেছেন। তার মানে কী আপনারা হার্ডওয়্যার ব্যবসা থেকে সরে আসছেন? 

এ ইউ খান জুয়েল: এটা কার না আছে? এটা একটা উইং। সলিউশন কিন্তু আমাদের ভাল ব্যবসা। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম ডাটা সেন্টার করছি। টেলেভিশন স্টেশন এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের অনেক সলিউশন প্রোডাক্ট আমাদের দেওয়া। কোথাও ১০ টাকা জমা দিলেন সাথে সাথে একটি এসএমএস আপনার মোবাইলে চলে আসছে এই সলিউশন আমরা দিচ্ছি। আইপি ফোনে ভিডিও কলাবেরেশন বা প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কলের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যে কানেক্টেড হচ্ছেন সেগুলোর সলিউশন আমরা দিচ্ছি। টেকনোলোজিক্যালি আমরা এগিয়ে গেছি। আমরা হার্ডওয়্যার ব্যবসার চেয়ে এই সফটওয়্যার ব্যবসায় গুরুত্ব বেশি দিচ্ছি বলে হার্ডওয়্যার ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছি এমনটা নয়। আমাদের মার্কেটে যে কন্ট্রিবিউশন কমছে তা শিগগির পূরণ হয়ে যাবে। সারা জীবন তো বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়ন হয় না। আমাদের এখানেও এক সময় আমরা রোল মডেল ছিলাম; সেখান থেকে পিছিয়ে গেছি। আমাদের কিছু কিছু ভুল হয়েছে। এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।

আরও পড়ুন -

>> ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে কম্পিউটার সোর্স!

সম্পাদনা: ফারজানা রিংকী