ফাগুন রেজা। ছবি: সংগৃহীত

জামালপুর থেকে তেজগাঁও কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিয়.কম
প্রকাশিত: ২২ মে ২০১৯, ১৯:৩৬
আপডেট: ২২ মে ২০১৯, ১৯:৩৬

(প্রিয়.কম) রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র ইহসান ইবনে রেজা ফাগুনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জামালপুরের নুুুুরুন্দি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, তাকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।

২২ মে, বুধবার বিকেল ৩টার পর ফাগুন রেজার বাবা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কাকন রেজা প্রিয়.কমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে বুধবার সকাল ১০টার দিকে ফাগুনের নিখোঁজের সংবাদ জানান তিনি। এ সময় ছেলে নিখোঁজের বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কাকন রেজা।

ফাগুনের বাড়ি শেরপুর জেলা শহরে। তিনি তেজগাঁও কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি সাংবাদিকতা করতেন। সর্বশেষ তিনি প্রিয়.কমে সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। আগামী মাসে আরেকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার যোগদানের বিষয় চূড়ান্ত হয়েছে। এমন অবস্থায় তিনি হত্যার শিকার হলেন।

কাকন রেজা জানান, ২১ মে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফাগুন ঢাকার মহাখালী থেকে শেরপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর বেশ কয়েকবার তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগও হয়। সর্বশেষ রাত সাড়ে ৮টায় যোগাযোগের সময় ফাগুন তার বাবাকে জানিয়েছিলেন তিনি ময়মনসিংহের কাছাকাছি অবস্থান করছেন। এরপর ফাগুনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে ময়মনসিংহ পুলিশ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝির বরাত দিয়ে দুপুরে কাকন রেজা বলেন, ‘ফাগুনের মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে দেখা গেছে, তার সর্বশেষ অবস্থান ছিল ময়মনসিংহের একটি গ্রামে। কিন্তু ওই জায়গায় যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’

বেলা ৩টার দিকে খবর পাওয়া যায়, জামালপুরের নুরুন্দি এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি ফাগুনের মরদেহ।

কাকন রেজা বলছেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফাগুনকে কেউ হত্যা করেছে।

জামালপুর রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয়রা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে হত্যা করে এখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।

ময়মনসিংহ থেকে কীভাবে জামালপুরে গেলেন ফাগুন, সে বিষয়ে এখনো কিছু বলতে পারেনি পুলিশ।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী