ছবি সংগৃহীত

নজরুলের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জাদুঘরে স্মৃতি বক্তৃতা ও স্মারক প্রদর্শনী

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ০২ জুন ২০১৬, ১১:৫৪
আপডেট: ০২ জুন ২০১৬, ১১:৫৪

ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ৪ জুন সকাল ১১টায় নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী কক্ষে নজরুল স্মৃতি বক্তৃতা এবং ২৩ নম্বর গ্যালারিতে মাসব্যাপী স্মারক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। 

‘নজরুল স্মৃতি বক্তৃতা’  উপস্থাপনা করবেন অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। এই স্মৃতি বক্তৃতা শেষে আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন শিল্পী মোস্তফা জামান, কবি সাখাওয়াত টিপু, কবি সোহেল হাসান গালিব।

কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে কবি, গাল্পিক, উপন্যাসিক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক, গীতিকার, সুরকার, বংশীবাদক, সংগীতশিল্পী, সাংবাদিক, কাহিনীকার, অভিনেতা, চলচ্চিত্রকার, রণাঙ্গনের যোদ্ধা এবং ভ্রমণ পিয়াসী মানুষ। ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরি, আর হাতে রণ তুর্য, উচ্চারণের নজরুলকে আমরা একইসঙ্গে ছিলেন প্রেম ও বিদ্রোহী কবি বলি। তিনি সাম্যের কবি, জাগরণের কবি, তিনি মানবতার কবি।

নজরুলের প্রথম গদ্য রচনা ছিল "বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী"। ১৯১৯ সালের মে মাসে এটি সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সৈনিক থাকা অবস্থায় করাচি সেনানিবাসে বসে এটি রচনা করেছিলেন। এখান থেকেই মূলত তার সাহিত্যিক জীবনের সূত্রপাত ঘটেছিল।

এখানে বসেই বেশ কয়েকটি গল্প লিখেছেন। এর মধ্যে রয়েছে: "হেনা, ব্যাথার দান, মেহের নেগার, ঘুমের ঘোরে"। ১৯২২ সালে নজরুলের একটি গল্প সংকলন প্রকাশিত হয় যার নাম ব্যথার দান- এছাড়া একই বছর প্রবন্ধ-সংকলন যুগবাণী প্রকাশিত হয়।