তেনজিং নোরগে। ছবি : সংগৃহীত

এভারেস্টের হিরো তেনজিং নোরগে

আফসানা সুমী
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারি ২০১৮, ২১:০৫
আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০১৮, ২১:০৫

(প্রিয়.কম) পৃথিবীর জননী বলা হয় তাকে। নেপালিরা বলেন সাগরমাথা, তিব্বতিরা বলেন চোমোলাংমা। তবে বিশ্ববাসীর কাছে তার নাম এভারেস্ট। হিমালয়ের মহালঙ্গুর হিমাল পর্বতমালায় গর্বের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এই শৃঙ্গ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এভারেস্টের উচ্চতা ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। গর্বিত এই শৃঙ্গের চূড়ায় যিনি পা রেখেছেন তার গর্বটা কোনো অংশে কম নয়। এ গর্বের অংশীদার একজন নন, দুজন। সারা বিশ্বে নন্দিত এই দুজন বিজয়ীর নাম তেনজিং নোরগে ও এডমন্ড হিলারি।

তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি যৌথভাবে ১৯৫৩ সালের ২৯ মে এভারেস্ট জয় করেন। তেনজিং একজন নেপালি শেরপা আর হিলারি ছিলেন নিউজিল্যান্ডের অভিযাত্রী। হিলারি-তেনজিং জুটির আগেও অনেকে এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখার চেষ্টা করেছেন, তবে তাদের বন্ধুত্বই হয়তো তাদের এই জয় এনে দিতে পেরেছিল!

এভারেস্টের চূড়ায় প্রথম পদার্পণের কৃতিত্ব যৌথ হলেও সর্বপ্রথম শীর্ষে পা কে রাখেন এ নিয়ে তর্ক ছিল দীর্ঘদিন। রাজনীতির কুটিল স্বার্থ কে কয় পা পেছনে ছিল তার মাঝে অনেক গুরুত্ব খুঁজে পেতে পারে, কিন্তু পর্বতারোহীরা জানেন, এভারেস্টের এই অর্জন হিলারি বা তেনজিং কারো একার প্রচেষ্টায় হতে পারত না। 

বিজয়ীদের গল্পগাথায় আজ জানব তেনজিং নোরগের গল্প।

তেনজিং নোরগে ১৯১৪ সালে মে মাসের শেষের দিকে নেপালে জন্মগ্রহণ করেন। জন্ম তারিখটি ঠিক জানা ছিল না তার। এভারেস্টের চূড়ায় সফলভাবে পা রাখার পর সেই দিনটিকে নিজের জন্মদিন হিসেবে ঘোষণা দেন তিনি। তার নাম প্রথমে রাখা হয়েছিল নামগ্যাল ওয়াংদি। পরে রংবুক বৌদ্ধবিহারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান লামা ঙ্গাগ-দ্বাং-ব্স্তান-দ্জিন-নোর-বু তার নাম পরিবর্তন করে তেনজিং নোরগে নাম রাখেন।

সবার মতো একটি গতানুগতিক জীবন কখনো চাননি তেনজিং। সেই ছোটবেলা থেকে তাকে টেনেছে ভিন্ন কিছু। তাই তো বৌদ্ধমঠে লামা হওয়ার শিক্ষানবিশি ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। ১৩ বছর বয়সে পালিয়ে চলে যান কাঠমান্ডু। আবার ফিরেও আসেন অবশ্য। এরপর ১৮ বছর বয়সে অর্থ উপার্জনের জন্য আসেন দার্জিলিং। এখানে জীবনের নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ফিরে যান বাড়িতে। কিছুদিন পর আবার পালিয়ে আসেন দার্জিলিং। বিয়ে করেন এক শেরপা নারীকে।

তেনজিংয়ের পর্বতারোহণ কিন্তু এভারেস্টকে দিয়েই শুরু। বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতের দিকে তেনজিং পা বাড়ান ১৯৩৫ সালে। এরিক শিপটনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে মালবাহক ছিলেন তিনি। কে বলবে সেই দিনের সে মালবাহক ছেলেটি একদিন পৃথিবীকে দেখিয়ে দেবেন তার ব্যক্তিত্বের এমন দৃঢ়তা, দক্ষতা, যা অবাক করে দেবে বিশ্ববাসীকে? এভারেস্টকে জয় করা তো যেকোনো সাধারণ জয় নয়! বরং সারাক্ষণ নিজের সাথে নিজের লড়াই, নিজেকে জয় করা, প্রতিমুহূর্তে পরীক্ষা দেওয়া, উত্তীর্ণ হওয়া।

এভারেস্ট
মাউন্ট এভারেস্ট। ছবি : সংগৃহীত

এরিকের দলটি এভারেস্টের ২২ হাজার ফুট উঁচুতে পৌঁছতে সক্ষম হয়। তেনজিং ও অন্যান্য মালবাহক শেরপারা এই পর্যন্ত মাল উত্তোলন করে দেন তাদের। তেনজিংয়ের প্রথম এভারেস্ট যাত্রা ছিল এ পর্যন্তই। তবে প্রথম যাত্রা যতটা সহজ মনে হচ্ছে তা কিন্তু নয়। এই পথে প্রতিদিন তেনজিংকে তুলতে হয়েছিল নিচের শিবিরের জন্য ৯০ পাউন্ড মাল এবং বরফে ৫০ পাউন্ড ওজনের মাল। তবে কাজের ফাঁকে ফাঁকে তেনজিং রপ্ত করেছিলেন পর্বতারোহণের কলাকৌশল, শিখে নিয়েছিলেন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিগুলো।

তেনজিংয়ের দ্বিতীয় পর্বত অভিযান ছিল ২৪ হাজার ফুট উচ্চতার কাবরু শৃঙ্গ। দ্বিতীয় বারের মতো এভারেস্টের উদ্দেশে তিনি যাত্রা শুরু করেন ১৯৩৬ সালে হিউ রাটলেজের নেতৃত্বে। খারাপ আবহাওয়ার জন্য নর্থ কল অবধি আরোহণ করে ফিরে আসতে হয় এই দলকে। তেনজিংয়ের তৃতীয় অভিযান ছিল ডন স্কুলের শিক্ষক গবসনের নেতৃত্বে ২০,৭২০ ফুট উচ্চতার বন্দরপুঞ্জের দিকে। তবে তুষারপাতের কারণে ১৭ হাজার ফুট উঁচু থেকে ফিরে আসতে হয় তাকে।

১৯৩৮ সালে তৃতীয়বার মাউন্ট এভারেস্ট অভিযান করেন তেনজিং। এবার নেতৃত্বে ছিলেন হ্যারল্ড উইলিয়াম টিলম্যান। পর্বতচূড়াকে ছোঁয়ার পরিকল্পনা ছিল এবার আলাদা। রংবুক হিমবাহে তৈরি করা হয় মূল শিবির। নর্থ কলকে এড়িয়ে অন্য পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। দ্বিতীয় পথ খুঁজতে টিলম্যান, আং শেরিং, আং জিংমে লোলার সঙ্গে তেনজিংও বের হন। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া তাদের ফিরিয়ে আনে শিবিরে। এরপর দল ভাগ হয়ে যায় দুই ভাগে। এক দল পূর্ব রংবুক হিমবাহ ধরে আরেকদল এগিয়ে যায় মূল রংবুক হিমবাহ ধরে। এবার ২৭ হাজার ফুট পর্যন্ত আরোহণ করতে সক্ষম হয় দলটি। অভিযান ব্যর্থ হলেও ষষ্ঠ শিবির পর্যন্ত আরোহণকারী সব শেরপাকে টাইগার উপাধি ও পদক দেওয়া হয়। তেনজিংও অর্জন করেন এই পদক। এই অভিযানে চতুর্থ ও পঞ্চম শিবিরে দুজন শেরপা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁবু ও দরকারি জিনিসপত্র আনতে আবারও নেমে একই পথে ষষ্ঠ শিবিরে ফেরত আসতে হয় তেনজিংকে। পরিশ্রমটা তার আরও বেশিই হয়েছিল বৈকি।

১৯৩৯ সালে তেনজিং পা বাড়ান হিন্দুকুশ পর্বতমালার ২৫,২৬০ ফুট উচ্চতার তিরিচমির পর্বতের দিকে। কানাডার স্নিটন দম্পতির সাথে এই অভিযানেও চূড়ায় পৌঁছানো হয় না। খারাপ আবহাওয়া আর যন্ত্রপাতির অভাবে ২৩ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে নেমে আসতে হয় তাদের। তবে তেনজিংয়ের উচ্চতা মাড়ানোর গল্পটা এভাবেই এগিয়ে চলছিল। প্রতিবারই তিনি আরও একটু করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। 

১৯৪৬ সালে দ্বিতীয়বার বন্দরপুঞ্জ অভিযান করেন তেনজিং। এবারও সেই পূর্বের দলটির সাথেই। ডন স্কুলের শিক্ষক গিবসন ও মার্টিন। কিন্তু ১৮ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে ফিরে আসতে হয় এবারও। ১৯৪৭ সালে চতুর্থবার কানাডার আর্ল ডেনম্যানের উৎসাহে তিব্বত প্রবেশের অনুমতি ছাড়াই মাউন্ট এভারেস্ট অভিযানে যোগদান করেন তেনজিং। কিন্তু এবারও বিধি বাম। রংবুক থেকে ফিরে আসতে হয় তাদের। 

১৯৪৭ সালে তেনজিংয়ের অভিযান ছিল কেদারনাথ পর্বতশৃঙ্গে। সুইজারল্যান্ডের আন্দ্রে রসের নেতৃত্বে ২২ হাজার ফুট উচ্চতার এই পর্বতে পাড়ি জমান তিনি। এখানেও ঘটে বিপত্তি। দলের অগ্রগামী দুই অভিযাত্রী পা পিছলে হাজার ফুট নিচে পড়ে যান। তবে দমে যাননি তেনজিং। তাদের হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে আবার শিবিরে আসেন তিনি। আবার যাত্রা করেন কেদারনাথের পথে। এবার তিনি সক্ষম হন। তেনজিংয়ের জীবনে প্রথম জয় করা পর্বতশৃঙ্গ এই কেদারনাথ। একই বছর এই সুইস দলের সাথেই তিনি তিব্বত সীমান্তের দুটি পর্বত সর্বপ্রথম জয় করার গৌরব অর্জন করেন। একটি হলো বলবালা ও আরেকটি কালিন্দী। ১৯৫০ সালে আবার বন্দরপুঞ্জ অভিযানে যান তিনি গিবসনের সাথেই। এবার দলে আরও ছিলেন রয় গ্রিনউড ও শেরপা কিন চোক সেরিন। এবার বন্দরপুঞ্জ জয় করতে সক্ষম হন তিনি ও তার দল। 

১৯৫০ সালে ২৬ হাজার ৬৬০ ফুট উচ্চতার নাঙ্গা পর্বতে ছিল তেনজিংয়ের পরবর্তী অভিযান। নেতৃত্বে ছিলেন খর্নল। কিন্তু খর্নল ও আরেক সঙ্গী ক্রেস নিখোঁজ হন এই দুর্গম পর্বত পথ পাড়ি দিতে গিয়ে। তেনজিং অনেক চেষ্টা করেও তাদের না পেয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। ১৯৫১ সালের অভিযান ছিল ফরাসিদের নন্দাদেবী পর্বত। এই অভিযানেও ঘটে দুর্ঘটনা। নেতৃত্বদানকারী ডুপ্লে ও সঙ্গী গিলবার্ট ভিগনেস নিখোঁজ হন। তেনজিং ও ডুবো নন্দাদেবী পূর্ব শৃঙ্গ আরোহণ করে ফিরে আসেন। তবে পূর্ব শৃঙ্গের এই আরোহণ পর্বত জয়ের জন্য নয়, সঙ্গীদের খোঁজার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। একই বছর সুইজারল্যান্ডের জর্জ ফ্লের নেতৃত্বে কাং পর্বত অভিযানে যান তিনি। ১৯০০০ ফুট উচ্চতার এই পর্বত আরোহণ কালে জুতায় ক্র্যাম্পন না থাকায় পা পিছলে হাজার ফুট নিচে পড়ে যান ফ্লে। মৃত্যুবরণ করেন এখানেই।

তেনজিংয়ের পর্বত অভিযানের পাতায় পাতায় এভাবেই জড়িয়ে আছে মৃত্যু, সঙ্গী হারানোর বেদনা। নিজেও তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন বহুবার। পর্বত যে বড় নিষ্ঠুর! সে প্রাণ কেড়ে নেয় মুহূর্তে। অনেক অভিযানেই চূড়ায় ওঠা হয়নি তার। তবে এটাকে ব্যর্থতা বলা ভুল হবে। কারণ যতটা পথ পাড়ি দিয়েছেন ততটাই তার অর্জন। ব্যাপারটা অনেকটা সেই কাচের গ্লাসের পানির মতো। গ্লাসে আপনি পানি দেখতে পান নাকি দেখতে পান শূন্যতা, তা আপনার দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার।

১৯৫২ সালে ছিল তেনজিংয়ের পঞ্চম মাউন্ট এভারেস্ট অভিযান। নেতৃত্বে ছিলেন সুইজারল্যান্ডের এডওয়ার্ড উইস ডুনান্ট। ভিন্ন পথে ভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যান তারা। ২৬ মে সকাল ১০টায় সাউথ কল সামিট করেন তারা এবং সেখানে ষষ্ঠ শিবির স্থাপন করেন। তবে দুর্গম পর্বত পথে সঙ্গীরা অনেকেই ফিরে যেতে শুরু করেন। তেনজিং ও ল্যাম্বার্ট ৮,৬০০ মিটার পর্যন্ত উঁচুতে উঠতে সক্ষম হন। এটি ইতিহাসে রেকর্ডে পরিণত হয়েছিল আর এই অভিযান থেকে তেনজিং সর্বপ্রথম অভিযাত্রী হিসেবে মর্যাদা অর্জন করেন। একই বছর তিনি আবারও এভারেস্টের উদ্দেশে যাত্রা করেন গ্যাব্রিয়েল চেভালের নেতৃত্বে। কিন্তু ৮,১০০ ফুট উচ্চতা থেকে নেমে আসতে হয় খারাপ আবহাওয়ার কারণে। 

এভারেস্ট
তেনজিং ও হিলারি জুটি। ছবি : সংগৃহীত

এবার জয়ের পালা

১৯৫৩ সালের মাউন্ট এভারেস্ট অভিযানের আয়োজনটি ছিল বিশাল। এবার যেন জয় অনিবার্য। ব্রিটিশ এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন জন হান্ট। ছিলেন এডমন্ড হিলারিসহ আরও নির্ভীক পর্বতারোহী। অভিযাত্রী দলের মালামালের ওজন হয়েছিল ১০ হাজার পাউন্ড। মালবাহক নেওয়া হয়েছিল ৩৬২ জন। সাথে ছিলেন আরও ২০ জন শেরপা। সব মিলিয়ে চার শতাধিক মানুষের বিশাল একটি দল ছিল এটি। মার্চ মাসে বেস ক্যাম্প স্থাপিত হয়। ধীরে ধীরে ৭,৮৯০ ফুট উচ্চতায় আরোহণ করে দলটি। সাউথ কলে ছিল তাদের শেষ শিবির। ২৬ মে টম বুর্দিল ও চার্লস ইভান্স শৃঙ্গ জয়ের জন্য এগিয়ে যায়। বিপত্তি বাধে ইভান্সের অক্সিজেন সরবরাহকারী ব্যবস্থায়। ফিরে আসতে বাধ্য হয় এই জুটি। এই অবস্থায় দলপতি হান্ট তেনজিং ও হিলারিকে শৃঙ্গ জয়ের জন্য এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ২৮ মে আং ন্যিমা, আলফ্রেড গ্রেগরি, জর্জ লো, তেনজিং ও হিলারি একসাথে যাত্রা শুরু করেন। ৮,৫০০ ফুট উচ্চতায় তেনজিং ও হিলারির জন্য শিবির স্থাপন করে ফিরে আসেন ন্যিমা, গ্রেগরি ও লো।

এরপরের যাত্রা শুধুই হিলারি ও তেনজিংয়ের। অনন্য এক বন্ধুত্বের উদাহরণ এই জুটি ৩০ পাউন্ড ওজনের মালামাল নিয়ে যাত্রা শুরু করেন পর্বত শিখরের উদ্দেশে। যাত্রা শুরুর সময় দেখা যায়, ভুলে তাঁবু বাইরে রয়ে গিয়েছিল হিলারির জুতো। ফলে বরফের মতো জমে গেছে জুতোজোড়া। ২ ঘণ্টা সময় নিয়ে সেগুলোকে পরার উপযোগী করা হয়। এরপর এগিয়ে যেতে থাকেন তারা। বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেন এই দুই পর্বতারোহী।

গিরিচূড়ায় ১৫ মিনিট অবস্থান করেন তারা। তেনজিংয়ের ছবি তোলেন হিলারি। ছবিতে তেনজিংয়ের হাতে ছিল একটি বরফ কুঠার। কুঠারে লাগানো ছিল জাতিসংঘ, ভারত, নেপাল ও ইংল্যান্ডের পতাকা। কোনো কারণে নিজের ছবি তুলতে দেননি হিলারি। পর্বতশৃঙ্গে পৌঁছানোর প্রমাণস্বরূপ আরও কিছু ছবি তুলে সফলভাবে ফিরে আসেন তারা। 

পরবর্তীতে হিলারি ও হান্টকে নাইট উপাধি দেওয়া হয়। তেনজিং পান জর্জ পদক। 

অপ্রতিরোধ্য হিমালয়ে এভাবেই প্রথম অঙ্কিত হয় মানুষের পদচিহ্ন।

তথ্যসূত্র : 

১। তেনজিং নোরগে এডভেঞ্চার্স

২। স্যার এডমন্ড হিলারি

৩। ব্রিটিশ মাউন্ট এভারেস্ট এক্সপিডিশন

৪। হিলারি-তেনজিং এভারেস্ট সামিট

প্রিয় ট্রাভেল/জিনিয়া/আজাদ চৌধুরী

প্রিয় ট্রাভেল সম্পর্কে আমাদের লেখা পড়তে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে। যেকোনো তথ্য জানতে মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। ভ্রমণবিষয়ক আপনার যেকোনো লেখা পাঠাতে ক্লিক করুন এই লিংকে - https://www.priyo.com/post।